শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৩ অপরাহ্ন
Title :
রামগঞ্জে বিনামূল্যে ৭ শতাধিক অসহায় মানুষকে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান শেরপুরে সাড়ে ৮ লাখ টাকার ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, থামছে না চোরাচালান সিন্ডিকেট নাটোরে সিংড়া স্মার্ট প্রেস ক্লাবে ‘স্মার্ট সাহিত্য পাঠাগার’ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল রামগঞ্জে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় প্রবাসী যুবককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মাহফুজ আটক ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলা: দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে গুরুদাসপুর থানার ওসি প্রত্যাহার রামগঞ্জে মাকে খুঁজতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে দেড় বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসির নতুন পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ কালিয়াকৈর আনসার-ভিডিপি একাডেমির কুটিরশিল্পে মুগ্ধ চার দেশের রাষ্ট্রদূত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার নতুন ডিএস হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

গুলি করে হত্যার ঘটনার পর জেনেছি ছেলেটি একজন পুলিশের

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩০ Time View
39

২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে পুলিশ কর্মকর্তার সন্তান ইমাম হাসান তাইমকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন মাদরাসাশিক্ষক মুহাম্মদ রিদওয়ান হাসান। রোববার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ তিনি তার জবানবন্দি প্রদান করেন। নিহত ইমাম হাসান রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের উপ-পরিদর্শক মো. ময়নাল হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে এবং নারায়ণগঞ্জের সরকারি আদমজী নগর এমডব্লিউ কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০ জুলাই যাত্রাবাড়ীর কাজলা ফ্লাইওভার এলাকায় পুলিশের গুলিতে তিনি নিহত হন।

সাক্ষী জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন, জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোতে আন্দোলন দমনে তৎকালীন সরকার ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্নসহ নানা দমনমূলক পদক্ষেপ নিয়েছিল। তিনি দাবি করেন, ১৯ জুলাই যাত্রাবাড়ী এলাকায় নামাজ চলাকালীন পুলিশ বিনা উসকানিতে মাদরাসায় টিয়ারশেল ও গুলি চালায়, যার প্রতিক্রিয়ায় ছাত্র-জনতা রাস্তায় নেমে আসে। পরের দিন ২০ জুলাই কারফিউ শিথিলের সময় চায়ের দোকানে অবস্থানরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ হামলা চালায় এবং প্রকাশ্যে গুলি করে ইমাম হাসানকে হত্যা করে। পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন, নিহত ওই তরুণ নিজেও একজন পুলিশ সদস্যের সন্তান।

উল্লেখ্য, এই ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক ডিসি ইকবাল হোসেন ও যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসিসহ ১১ জন উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা ও সদস্যকে আসামি করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযুক্তদের মধ্যে আবুল হাসান ও শাহাদাত আলী কারাগারে বন্দি রয়েছেন। বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী উপস্থাপনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com