শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ন
Title :
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসন ভবনে স্থায়ী মসজিদের শুভ উদ্বোধন ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতার জন্য টাকা নিলেই কঠোর ব্যবস্থা: প্রতিমন্ত্রী পুতুল গুরুদাসপুরে অভিনব কায়দায় ঘরের দরজা আটকে ৫ গরু চুরি রামগঞ্জে বিনামূল্যে ৭ শতাধিক অসহায় মানুষকে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান শেরপুরে সাড়ে ৮ লাখ টাকার ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, থামছে না চোরাচালান সিন্ডিকেট নাটোরে সিংড়া স্মার্ট প্রেস ক্লাবে ‘স্মার্ট সাহিত্য পাঠাগার’ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল রামগঞ্জে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় প্রবাসী যুবককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মাহফুজ আটক ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলা: দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে গুরুদাসপুর থানার ওসি প্রত্যাহার রামগঞ্জে মাকে খুঁজতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে দেড় বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসির নতুন পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ

শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিরা ট্রাইব্যুনালে

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৪ Time View
43

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলার শুনানির কার্যক্রম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র ও প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, এই মামলায় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ৪১ জন প্রভাবশালী ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। বিচারিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কারাবন্দি আসামিদের কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া নতুন একটি ধাপে প্রবেশ করল বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই বেঞ্চের অন্য দুই সম্মানিত বিচারক হলেন মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। ট্রাইব্যুনালের এই পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের মাধ্যমেই মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া ও নথিপত্র পর্যালোচনার কাজ এগিয়ে চলেছে। বিচারকদের এই প্যানেলের তত্ত্বাবধানে মামলার আইনগত দিকগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রসিকিউশন পক্ষ তাদের যুক্তি উপস্থাপন করছে।

আলোচিত এই মামলাটিতে অভিযুক্তদের তালিকায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বহু হাইপ্রোফাইল রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা এবং সাংবাদিকের নাম রয়েছে। আসামিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহিউদ্দিন খান আলমগীর, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেননসহ আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা। তাছাড়া পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শকসহ (আইজিপি) আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বহু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং গণমাধ্যমের কতিপয় পরিচিত মুখও এই মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে সংগৃহীত তথ্যে জানা যায়, ২০১৩ সালের ওই নির্দিষ্ট দিনে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় সহিংস ঘটনা ঘটেছিল। তদন্ত সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, ওই দিনগুলোতে সংঘটিত সহিংসতায় সর্বমোট ৫৮ জনের প্রাণহানির তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু রাজধানী ঢাকাতেই ৩২ জন নিহত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে, যা তদন্ত প্রতিবেদনে বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলার এই বিচারিক প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন হলে হতাহতদের পরিবার ন্যায়বিচার পাবে এবং ঘটনার নেপথ্যের প্রকৃত সত্য উন্মোচিত হবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com