মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৬ অপরাহ্ন
Title :
কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড পর্যবেক্ষণে যা জানাল ট্রাইব্যুনাল আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগ তিন সংগঠনেরই সভাপতি-সেক্রেটারির ফাঁসির আদেশ ইরানে ভাঙা পিঠ নিয়ে ৫০ ঘণ্টা, মার্কিন সেনা উদ্ধারের ভিডিও প্রকাশ হামে বাড়ছে প্রাণহানি, আরও ৬ শিশুর মৃত্যু যে চার অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড রোগী ও স্বজনদের বর্ণনায় উঠে এলো ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুনের ভয়াবহতা পুলিশে পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই সালমানের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ স্থানীয় সরকার ভোটের তারিখ বদলাচ্ছে, নতুন সূচি নির্ধারণে বৈঠকে বসছে ইসি

যে চার অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫ Time View
6

জুলাই মাসে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা হওয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলের সাত শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। রাষ্ট্রপক্ষের আনা মোট সাতটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ অত্যন্ত নিখুঁতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এই কঠোর ও ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে। দেশের বিচারিক ইতিহাসে রাজনৈতিক সহিংসতার জেরে শীর্ষপর্যায়ের নেতাদের এমন সর্বোচ্চ শাস্তির আদেশ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।

প্রসিকিউশন পক্ষের জমা দেওয়া দালিলিক প্রমাণ ও সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযুক্ত সাত নেতার প্রত্যেকের বিরুদ্ধেই কমপক্ষে চারটি করে আলাদা ও গুরুতর অভিযোগ গঠন করা হয়েছিল। জুলাই আন্দোলন দমনে সংঘটিত গণহত্যা, নির্বিচার গুলিবর্ষণ, হত্যা এবং মানবতাবিরোধী বিভিন্ন অপরাধের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও নির্দেশদাতা হিসেবে তাদের ভূমিকা ট্রাইব্যুনালে জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হয়। আদালতের বিচারে এই অভিযোগগুলোর প্রতিটিই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে ট্রাইব্যুনাল তার রায়ে উল্লেখ করেছেন।

এই চাঞ্চল্যকর মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল দীর্ঘ সময় ধরে সাক্ষ্যগ্রহণ ও আইনি প্রক্রিয়া পরিচালনা করে আসছে। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যে তথ্য ও প্রমাণাদি ট্রাইব্যুনালে পেশ করেছেন, তা আসামিদের অপরাধের মাত্রা স্পষ্ট করে তোলে। বিচার প্রক্রিয়া চলাকালীন পুরো দেশবাসীর নজর ছিল এই ট্রাইব্যুনালের দিকে, যা শেষ পর্যন্ত একটি দৃশ্যমান ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সমাপ্ত হলো।

জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত নৃশংসতার ঘটনায় এই প্রথম কোনো শীর্ষ রাজনৈতিক দল ও তাদের নীতিনির্ধারকদের বিরুদ্ধে এত বড় কোনো বিচারিক রায় এল। এই রায়ের মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটবে এবং অপরাধীরা ভবিষ্যতে এমন মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করছেন সংশ্লিষ্টরা। ট্রাইব্যুনালের এই ঐতিহাসিক রায় দেশের আইনি ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com