বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন
Title :
কালিয়াকৈর আনসার-ভিডিপি একাডেমির কুটিরশিল্পে মুগ্ধ চার দেশের রাষ্ট্রদূত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার নতুন ডিএস হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম রামগঞ্জে ফুটবল টুর্নামেন্টের সংঘর্ষ: ছোট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রবাস ফেরত বড় ভাই মৃত্যুর মুখে নীলফামারীতে রাতের আঁধারে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিল, স্লোগান ‘ডিসেম্বরে খেলা হবে’ নাটোর জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর নির্দেশ এসপির প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবের পরিচয়ে প্রতারণা: নাটোর থেকে গ্রেপ্তার ১ কুড়িগ্রামের দুধকুমার নদে রাতভর অভিযান: জব্দ অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জাল দীর্ঘ ২০ বছর পর নতুন সাজে সৈয়দপুরের কামারপুকুর ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় লক্ষ্মীপুরে কুঁচিয়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করছেন সিলেটি একদল পেশাজীবী

ভূরুঙ্গামারীতে তিলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১২১ Time View
203

ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার তিলাই উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, ভুয়া হাজিরা দিয়ে বেতন তোলা, প্রক্সি শিক্ষক দিয়ে ক্লাস করানো এবং আর্থিক অনিয়মের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এসব বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (গণিত) মো. জাহাঙ্গীর আলম।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর জাহাঙ্গীর আলমকে গণিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা বলে প্রধান শিক্ষক তার কাছ থেকে চার লাখ টাকা নেন। পরবর্তীতে বিষয় ও শিক্ষক প্যাটার্ন জটিলতার কারণে তার ফাইল বাতিল হয় এবং তাকে ভৌত বিজ্ঞান বিষয়ে নিয়োগ দেখানো হয়। প্রায় ১১ বছর ধরে পাঠদান করলেও তিনি আজও এমপিওভুক্ত হতে পারেননি। সম্প্রতি অন্য এক শিক্ষক অবসর নেওয়ায় পদ শূন্য হলেও তাকে সুযোগ না দিয়ে গোপনে এনটিআরসিএ বরাবর শিক্ষক চাহিদার requisition পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ওই শিক্ষক। এ ছাড়া টাকা ফেরত চাইলে প্রধান শিক্ষক তাকে নানা অজুহাতে কালক্ষেপণ ও হুমকি দিচ্ছেন।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষিকা (বাংলা) সেলিনা খাতুন দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতার কারণে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলেও প্রধান শিক্ষকের যোগসাজশে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর দেখিয়ে নিয়মিত বেতন তুলছেন। তার পরিবর্তে বিধি লঙ্ঘন করে নিপা পারভীন নামের এক প্রক্সি শিক্ষককে দিয়ে পাঠদান করানো হচ্ছে, যিনি বাংলার পরিবর্তে ইংরেজি বিষয়ে ক্লাস নিচ্ছেন। এছাড়া দীর্ঘদিন ধরে পরিচালনা কমিটি না থাকার সুযোগে বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগও করা হয়েছে। শিক্ষকদের বৈধ দাবি দাওয়া নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রধান শিক্ষক ক্ষমতার অপব্যবহার করে শোকজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন, যা বিদ্যালয়ের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক আমজাদ হোসেন দাবি করেন, ওই শিক্ষকের নিয়োগের সময় তিন লাখ টাকা নেওয়া হয়েছিল এবং সেই অর্থ নিয়োগের প্রক্রিয়া ও স্কুল উন্নয়নে ব্যয় করা হয়েছে। প্রক্সি শিক্ষকের ক্লাস ভালো হচ্ছে এবং সেলিনা খাতুন অসুস্থ থাকায় ইএফটির মাধ্যমে তার বেতন আসায় এ ক্ষেত্রে তার কিছু করার নেই বলে জানান তিনি। বিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাবেও কোনো ধরনের গরমিল নেই বলে দাবি করেন তিনি।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমৃত দেবনাথ জানান, অভিযোগটি হাতে পাওয়া গেছে এবং তদন্তের জন্য উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে আসার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com