সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২১ অপরাহ্ন
Title :
২০ রুপির দিনমজুর এখন ২৫ কোটির নায়ক দোকানে মেলে না ৫ টাকার পেনসিল, আকার কমেছে রাবারের পাবনায় হত্যার আসামি বিএনপি নেতাকে গুলি করে হত্যা একদিনের আয় নষ্ট, তাও পাই না সার ভূরুঙ্গামারীতে কৃষকদের ক্ষোভ ও বিক্ষোভ ইবির শহীদ আনাস হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি রবি, সম্পাদক রাকিবুল কনটেইনারে পণ্য নেই, কাগজে রপ্তানি ৪ লাখ ৩৮ হাজার ডলার ত্রিভুজ প্রেমের দ্বন্দ্বে প্রবাসী সিফাত হত্যা, প্রেমিকাসহ গ্রেফতার ৩ ইবিতে ব্রাক স্কিলস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামের উদ্যোগে ক্যারিয়ার হাব ইবির শহীদ আনাস হল ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি রবি, সম্পাদক রাকিবুল আবার ডাক পেলে টেস্টে খেলার জন্য প্রস্তুত আছি: হৃদয়

ত্রিভুজ প্রেমের দ্বন্দ্বে প্রবাসী সিফাত হত্যা, প্রেমিকাসহ গ্রেফতার ৩

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১ Time View
2

রাজধানীর সবুজবাগ এলাকায় কাতার প্রবাসী সিফাত উল্লাহ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব-৩। ত্রিভুজ প্রেমের জেরে এবং পূর্ব শত্রুতার ক্ষোভ থেকে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর শাহজাহানপুরে র‍্যাব কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়। নিহতের পরিবারের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে পুলিশ ও র‍্যাবের যৌথ অভিযানে আসামিদের জালে তোলা সম্ভব হয়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে প্রধান অভিযুক্ত আল আমিন হোসেন জয় ও মোয়াজ্জেম হোসেন সাজিদ ছাড়াও নিহত প্রবাসীর প্রেমিকা নাফিজা শেখ নেহাকেও এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, নিহত সিফাত উল্লাহ কিছুদিন আগে কাতার থেকে দেশে ফেরেন এবং নাফিজা শেখ নেহার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। অন্যদিকে, অভিযুক্ত সাজিদের সঙ্গেও নেহার চার বছরের বেশি সময় ধরে প্রেমের সম্পর্ক বিদ্যমান ছিল। কিন্তু নেহার জন্মদিনের একটি অনুষ্ঠানে সাজিদ জানতে পারে যে সিফাতের সঙ্গেও নেহার প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে, যা তাদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে।

এর পাশাপাশি, অভিযুক্ত আল আমিন হোসেন জয়ের সঙ্গে নেহার বন্ধুত্বের সুবাদে তার বাসায় নিয়মিত যাতায়াত এবং মাদকের আড্ডা বসত। এলাকার পরিচিত সন্ত্রাসী প্রকৃতির জয় ও তার সহযোগীদের ওই বাসায় আসা এবং মাদক সেবন করার বিষয়টি জানতে পেরে সিফাত তীব্র আপত্তি জানান এবং তাদের নিষেধ করেন। সিফাতের এই বাধাদানের কারণে অভিযুক্তদের মনে প্রচণ্ড ক্ষোভের জন্ম নেয় এবং তারা সুযোগ খুঁজতে থাকে। পরবর্তীতে পূর্বপরিকল্পনা ও ত্রিভুজ প্রেমের জেরে সৃষ্ট দ্বন্দ্বের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়।

ঘটনার দিন নিহত সিফাত মোটরসাইকেলে করে নেহার মাদারটেকের সাবলেট বাসায় তার সঙ্গে দেখা করতে যান। এই খবর পেয়ে প্রধান অভিযুক্ত জয়ের সহযোগীরা সেখানে উপস্থিত হয়ে সিফাতের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা ও হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে সিফাত সেখান থেকে মোটরসাইকেলে করে পালানোর চেষ্টা করেন, কিন্তু অভিযুক্তরা তাকে ধাওয়া করে ইট ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে মুগদা মেডিকেল কলেজ এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com