পাবনার আটঘরিয়া উপজেলায় চাঞ্চল্যকর কিশোরী তমা খাতুন হত্যা মামলার প্রধান আসামি এবং স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি নেতা আদম আলীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সম্প্রতি দুর্বৃত্তরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাকে হত্যা করে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। এই হত্যাকাণ্ডের পর পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। খবর পেয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে।
নিহত ৬০ বছর বয়সী আদম আলী আটঘরিয়া উপজেলার একটি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এর আগে ১৬ বছর বয়সী কিশোরী তমা খাতুনকে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি ছিলেন তিনি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতা কিংবা ওই কিশোরী হত্যা মামলার জের ধরেই এই টার্গেটেড কিলিং বা হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় নানা গুঞ্জন ও আলোচনা শুরু হয়েছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও গোয়েন্দা দল ঘটনার পেছনের মূল রহস্য উদঘাটন এবং এর সাথে জড়িত অপরাধীদের গ্রেফতারে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে হামলাকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, খুব শীঘ্রই জড়িতদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ আরও স্পষ্টভাবে জানা যাবে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি বর্তমানে তাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।