মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন
Title :
আসছে মনির খানের ‘মা’ ফ্ল্যাট প্রতারণার মামলায় রিমান্ড শেষে কারাগারে হরিদাস তরণী রামেক হাসপাতালে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম হাঁটু প্রতিস্থাপন পুরস্কার জিতে ইসরায়েলি নির্মাতারা পেলেন নাগরিকত্ব বাতিলের হুমকি ভুয়া ওয়ারেন্টে গ্রেফতার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ যাচাইয়ের নির্দেশ বিদেশে ১ পয়সা বিনিয়োগের প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো পুরো সিস্টেম কিনে ফেলার জন্য কয়েক কোটি টাকাই যথেষ্ট: আসিফ মাহমুদ ইনেসের সঙ্গে ইয়ামালের ‘পরিবারে’ নতুন দুই সদস্য? বড়াইগ্রাম ও গুরুদাসপুরের এতিমখানা ও সংস্থার মধ্যে ৫৪ লাখ টাকার অনুদান বিতরণ হালান্ডের গোল বাতিল করে দেওয়া উচিত ছিল, একদিন পর ক্ষমা চাইল রেফারিরা

ভুয়া ওয়ারেন্টে গ্রেফতার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ডাটাবেজ যাচাইয়ের নির্দেশ

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩ Time View
4

জাল বা ভুয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার অপব্যবহার করে সাধারণ নাগরিকদের পুলিশি হয়রানি ও নির্বিচারে গ্রেফতার বন্ধ করার লক্ষে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রায় প্রদান করেছে উচ্চ আদালত। সম্প্রতি বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম ও বিচারপতি মুরাদ-এ-মওলা সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রুল নিষ্পত্তি করে এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের এই নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা করা এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা।

আদালতের দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, এখন থেকে কোনো পুলিশ কর্মকর্তা বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করতে গেলে তাকে প্রথমে পুলিশের সেন্ট্রাল ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা কেন্দ্রীয় ডাটাবেজে প্রবেশ করে পরোয়ানাটির সত্যতা যাচাই করতে হবে। ডাটাবেজে সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পরই কেবল সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আইনি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে। এর ফলে কোনো কুচক্রীমহল ভুয়া পরোয়ানা তৈরি করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করার সুযোগ পাবে না বলে আশা করা হচ্ছে।

এই রায় বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) অবিলম্বে একটি আনুষ্ঠানিক সার্কুলার জারি করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। পরবর্তীতে এই সার্কুলারের অনুলিপি দেশের সবকটি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যালয় ও ইউনিটে পাঠিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যাতে মাঠপর্যায়ের প্রতিটি সদস্য এই নিয়ম কঠোরভাবে মেনে চলেন। রায়ে আরও স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, কোনো নাগরিককে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধিতে নির্ধারিত সুনির্দিষ্ট আইনি বিধানগুলো নিখুঁতভাবে অনুসরণ করতে হবে এবং এর কোনো ব্যত্যয় ঘটলে তা সরাসরি আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।

আদালত পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন যে, ভুয়া পরোয়ানার ভিত্তিতে কোনো মানুষকে গ্রেফতার করা হলে তার মৌলিক ও সাংবিধানিক অধিকার চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই ধরনের হয়রানিমূলক পরিস্থিতিতে একজন নাগরিকের যে অপূরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়, তা পরবর্তীতে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেও পুরোপুরি পুষিয়ে দেওয়া সম্ভব হয় না। তাই বিচারব্যবস্থার মাধ্যমে সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের অপ্রয়োজনীয় ভোগান্তির শিকার না হন, সেজন্য মামলা দায়ের এবং গ্রেফতার উভয় ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com