শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩১ অপরাহ্ন
Title :
গুরুদাসপুরে অভিনব কায়দায় ঘরের দরজা আটকে ৫ গরু চুরি রামগঞ্জে বিনামূল্যে ৭ শতাধিক অসহায় মানুষকে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান শেরপুরে সাড়ে ৮ লাখ টাকার ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, থামছে না চোরাচালান সিন্ডিকেট নাটোরে সিংড়া স্মার্ট প্রেস ক্লাবে ‘স্মার্ট সাহিত্য পাঠাগার’ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল রামগঞ্জে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় প্রবাসী যুবককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মাহফুজ আটক ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলা: দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে গুরুদাসপুর থানার ওসি প্রত্যাহার রামগঞ্জে মাকে খুঁজতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে দেড় বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসির নতুন পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ কালিয়াকৈর আনসার-ভিডিপি একাডেমির কুটিরশিল্পে মুগ্ধ চার দেশের রাষ্ট্রদূত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা

মনিপুর ও ভবানীপুর বিটের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের স্বার্থে বনভূমি ব্যবহারের প্রশ্ন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৫১ Time View
163

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর
গাজীপুরে বনভূমি রক্ষার দায়িত্বে থাকা বন কর্মকর্তাদের একটি অংশের বিরুদ্ধে সরকারি বনসম্পত্তি ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম, প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে যোগসাজশ এবং বনভূমি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের স্বার্থে ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তালিকায় মাঠপর্যায়ের একাধিক কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নামও সামনে এসেছে।
অভিযোগ রয়েছে, মনিপুর বিটের বিট কর্মকর্তা মান্নান এবং ভবানীপুর বিট অফিসের বিট কর্মকর্তা নাসির আহমেদসহ বন বিভাগের আরও কয়েকজন সদস্য বিভিন্ন অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং সরকারি তদন্তের পূর্ণাঙ্গ নথি যাচাই করা জরুরি।
এক কোটি টাকার অভিযোগ
সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হচ্ছে—একটি শিল্পগোষ্ঠীর কাছ থেকে বিপুল অর্থের বিনিময়ে প্রায় এক একর বনভূমি কারখানার ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। অভিযোগের পরিমাণ প্রায় এক কোটি টাকা।
এ ধরনের অভিযোগ সত্য হলে তা শুধু সরকারি সম্পত্তির অপব্যবহার নয়, বন সংরক্ষণ আইন ও সরকারি সম্পত্তি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রেও গুরুতর অনিয়মের বিষয় হতে পারে।
প্রশ্ন উঠছে—কার অনুমোদনে বনভূমি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল? জমিটির শ্রেণি কী? কোনো সরকারি বন্দোবস্ত বা বৈধ অনুমোদন ছিল কি না? আর কথিত অর্থ লেনদেনের কোনো আর্থিক বা নথিগত প্রমাণ রয়েছে কি না?
মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
মনিপুর ও ভবানীপুর বিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে স্থানীয় পর্যায়েও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট বিট অফিসের নথি, বনভূমির রেকর্ড, পরিদর্শন প্রতিবেদন, অনুমোদনপত্র এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো প্রতিবেদন পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
শুধু একজন বা দুজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। বনভূমি ব্যবস্থাপনায় যদি কোনো সংঘবদ্ধ অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে বাস্তবায়ন পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনা প্রয়োজন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com