বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৫৫ অপরাহ্ন
Title :
ইকসু নির্বাচন না দেওয়ার পেছনে শিবিরের ভূমিধস বিজয়ের ভয় কাজ করছে: ইবি সভাপতি নাটোরে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু চুরির অপবাদে প্রথমে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন পরে পিঠের ওপর ইটের ভার দিয়ে হত্যা! এ কেমন বিচার? সৈয়দপুরে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের শুভ উদ্বোধন করলেন এমপি বিলকিস ইসলাম। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে ব্যুরো বাংলাদেশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৯০ হাজার টাকা শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিরা ট্রাইব্যুনালে সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু, লুণ্ঠিত মালামালসহ গ্রেপ্তার ২ ফেসবুকে পেজের লাইক বাড়ানোর বিজ্ঞাপন আর দিতে পারবেন না কিশোর কুমারের গান গেয়ে নৈশভোজে চমক দিলেন মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রী

দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব ছিলেন কুলিয়ারচর থানার ওসি কাজী আরিফ উদ্দীন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৬ Time View
42

মোঃ মাইন উদ্দিন :
কিছু মানুষ দায়িত্ব পালন করেন কেবল নিয়মের প্রয়োজনে, আর কিছু মানুষ দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের হৃদয়েও জায়গা করে নেন। কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দীন ছিলেন তেমনই একজন পুলিশ কর্মকর্তা। দায়িত্বশীলতা, পেশাগত দক্ষতা, মানবিক আচরণ ও সাধারণ মানুষের প্রতি আন্তরিকতার কারণে স্বল্প সময়েই তিনি কুলিয়ারচরবাসীর কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছিলেন একজন জনবান্ধব ওসি হিসেবে।
তাঁর প্রত্যাহারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় অনেকের মধ্যেই নেমে এসেছে বিষণ্নতা। দায়িত্বের প্রয়োজনে একজন পুলিশ কর্মকর্তার বদলি স্বাভাবিক হলেও কোনো কোনো বিদায় যেন শুধুই বদলির খবর হয়ে থাকে না- তা হয়ে ওঠে মানুষের সঙ্গে গড়ে ওঠা সম্পর্কের একটি আবেগঘন অধ্যায়ের সমাপ্তি। কাজী আরিফ উদ্দীনের বিদায়ও যেন কুলিয়ারচরবাসীর কাছে তেমনই এক অনুভূতির নাম।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁকে ঘিরে একের পর এক আবেগঘন স্ট্যাটাস ও স্মৃতিচারণ তারই প্রতিফলন। কেউ তুলে ধরছেন তাঁর দায়িত্ব পালনের কথা, কেউ বলছেন তাঁর মানবিক আচরণের কথা, আবার কেউ স্মরণ করছেন বিভিন্ন প্রয়োজনে একজন পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে তাঁর আন্তরিক সহযোগিতার কথা। এসব স্মৃতিচারণে ফুটে উঠছে একজন কর্মকর্তার প্রতি মানুষের ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।
পুলিশের দায়িত্ব মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমন। কিন্তু একজন পুলিশ কর্মকর্তা যখন কঠোর দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের কথা মন দিয়ে শোনেন, বিপদে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণ করেন, তখন তাঁর প্রতি মানুষের আস্থাও বেড়ে যায়। কাজী আরিফ উদ্দীনের ক্ষেত্রেও সেই আস্থার জায়গাটিই দৃশ্যমান হয়েছে বলে স্থানীয়দের অনেকের অভিমত।
একজন কর্মকর্তার কর্মস্থল বদলে যায়, কিন্তু তাঁর ভালো আচরণ ও মানুষের জন্য করা ভালো কাজগুলো সহজে মুছে যায় না। কুলিয়ারচরে দায়িত্ব পালনকালে কাজী আরিফ উদ্দীন যে ইতিবাচক স্মৃতি রেখে গেছেন, সেটিই হয়তো তাঁর সবচেয়ে বড় অর্জন।
তাই তাঁর বিদায়ের মুহূর্তে কুলিয়ারচরবাসীর অনেকের কণ্ঠেই যেন একই আক্ষেপ- দায়িত্বের প্রয়োজনে বিদায় মেনে নেওয়া যায়, কিন্তু একজন দায়িত্বশীল, মানবিক ও জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তাকে বিদায় দিতে সত্যিই মন চায় না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com