বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৪ অপরাহ্ন
Title :
ইকসু নির্বাচন না দেওয়ার পেছনে শিবিরের ভূমিধস বিজয়ের ভয় কাজ করছে: ইবি সভাপতি নাটোরে নির্বাচন সুষ্ঠু করতে পুলিশ সদস্যদের দক্ষতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু চুরির অপবাদে প্রথমে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন পরে পিঠের ওপর ইটের ভার দিয়ে হত্যা! এ কেমন বিচার? সৈয়দপুরে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের শুভ উদ্বোধন করলেন এমপি বিলকিস ইসলাম। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে ব্যুরো বাংলাদেশের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, বেতন ৯০ হাজার টাকা শাপলা চত্বর হত্যা মামলায় গ্রেফতার আসামিরা ট্রাইব্যুনালে সংসদ ভবনের সামনে শিক্ষিকার মৃত্যু, লুণ্ঠিত মালামালসহ গ্রেপ্তার ২ ফেসবুকে পেজের লাইক বাড়ানোর বিজ্ঞাপন আর দিতে পারবেন না কিশোর কুমারের গান গেয়ে নৈশভোজে চমক দিলেন মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রী

ইকসু নির্বাচন না দেওয়ার পেছনে শিবিরের ভূমিধস বিজয়ের ভয় কাজ করছে: ইবি সভাপতি

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৪ Time View
17

ইবি প্রতিনিধি:

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবাধ ও নিরপেক্ষ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ব্যাপক জনপ্রিয়তার ভয়েই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন ইকসু নির্বাচন দিচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী। সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থা ও বিজয়ের ভয়েই প্রশাসন এই গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। আবাসিক হলগুলোতে অবৈধ দখলদারিত্ব রোধ, মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইবি শিবির সভাপতি বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান এবং ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে ছাত্রসংসদগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ইউজিসির সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। তাদের সদিচ্ছা থাকলে জাতীয় নির্বাচনের পর পরই এসব কাজ ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা সম্ভব হতো। এ সময় তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাকসু) নির্ধারিত তারিখ থাকার পরও অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন পেছানোর প্রসঙ্গও টেনে আনেন।

তিনি আরও যোগ করেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরপেক্ষ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের নিরঙ্কুশ বিজয় এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হওয়া আস্থার জায়গা দেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শঙ্কিত। সে কারণেই তারা নির্বাচন এড়াতে চাচ্ছে। তবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে তাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

এর আগে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আবাসিক হলগুলোকে কোনো রাজনৈতিক দলের অবৈধ প্রভাব বিস্তারের কেন্দ্র বানাতে দেওয়া হবে না। সম্প্রতি শহীদ জিয়াউর রহমানসহ বিভিন্ন হলে দলীয় প্রভাবে অবৈধভাবে সিট দখল করে থাকার বিষয়টি গণমাধ্যমে এসেছে বলে অভিযোগ করা হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের উত্থাপিত ৮ দফা দাবিগুলো হলো:

  • সকল আবাসিক হল থেকে দ্রুত অবৈধ শিক্ষার্থীদের অপসারণ।
  • দলীয় সুপারিশ বা রাজনৈতিক পরিচয়ে সিট বরাদ্দ চিরতরে বন্ধ করা।
  • সম্পূর্ণ মেধা ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সিট বন্টন নিশ্চিত করা।
  • ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান।
  • সিট বাণিজ্য রোধে হলের সিট বরাদ্দের তালিকা প্রকাশ।
  • হলসমূহকে যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক অপচর্চা থেকে মুক্ত রাখা।
  • সাম্প্রতিক সকল ঘটনার প্রেক্ষিতে নিরপেক্ষ ও ন্যায়সঙ্গত ব্যবস্থা গ্রহণ।
  • হলের ডাইনিংয়ে পুষ্টিকর খাবার ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলামসহ বিভিন্ন হল শাখার সভাপতি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com