ইবি প্রতিনিধি:
বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অবাধ ও নিরপেক্ষ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের ব্যাপক জনপ্রিয়তার ভয়েই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) প্রশাসন ইকসু নির্বাচন দিচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন ইবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী। সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থা ও বিজয়ের ভয়েই প্রশাসন এই গড়িমসি করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। আবাসিক হলগুলোতে অবৈধ দখলদারিত্ব রোধ, মেধার ভিত্তিতে সিট বরাদ্দ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবিতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইবি শিবির সভাপতি বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধান এবং ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে ছাত্রসংসদগুলোর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ইউজিসির সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। তাদের সদিচ্ছা থাকলে জাতীয় নির্বাচনের পর পরই এসব কাজ ধাপে ধাপে সম্পন্ন করা সম্ভব হতো। এ সময় তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাকসু) নির্ধারিত তারিখ থাকার পরও অজুহাত দেখিয়ে নির্বাচন পেছানোর প্রসঙ্গও টেনে আনেন।
তিনি আরও যোগ করেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরপেক্ষ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের নিরঙ্কুশ বিজয় এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হওয়া আস্থার জায়গা দেখে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শঙ্কিত। সে কারণেই তারা নির্বাচন এড়াতে চাচ্ছে। তবে সাধারণ শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে তাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, আবাসিক হলগুলোকে কোনো রাজনৈতিক দলের অবৈধ প্রভাব বিস্তারের কেন্দ্র বানাতে দেওয়া হবে না। সম্প্রতি শহীদ জিয়াউর রহমানসহ বিভিন্ন হলে দলীয় প্রভাবে অবৈধভাবে সিট দখল করে থাকার বিষয়টি গণমাধ্যমে এসেছে বলে অভিযোগ করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের উত্থাপিত ৮ দফা দাবিগুলো হলো:
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল ইসলামসহ বিভিন্ন হল শাখার সভাপতি ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।