বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত জুলাই শহীদ পরিবার ও যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত একটি ডকুমেন্টারিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক হট্টগোল ও বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানের ভিডিওতে আবু সাঈদ ও বেগম খালেদা জিয়ার ছবি না থাকায় এনসিপি কর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন জানিয়েছেন, রাষ্ট্রীয় এই অনুষ্ঠানের গাম্ভীর্য বজায় রাখতে তিনি শুরু থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।
পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে রাশেদ খাঁন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে আলোচনা করেন। এরপর মন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ ও ডকুমেন্টারি সংশোধনের প্রতিশ্রুতির প্রেক্ষিতে জামায়াত ও এনসিপি নেতাদের মঞ্চে বক্তব্য রাখার সুযোগ দেওয়া হয়। রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, তিনি নিশ্চিত করেছেন যেন বক্তব্যের সময় বক্তারা কোনো প্রকার বিব্রতকর পরিস্থিতির শিকার না হন। তবে তিনি মনে করেন, এই ঘটনার পেছনে বিরোধী দলের একটি পূর্বপরিকল্পনা থাকতে পারে এবং এই অভিজ্ঞতা থেকে সরকারের আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।