২০২৪ সালের জুন মাস থেকে শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ দুই মাসের অস্থিরতা এবং নানা ঘটনার পর দেশটিতে সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। জনদাবির মুখে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির বিন্যাসে ব্যাপক সংস্কার করা হয়।সর্বশেষ সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মেধাভিত্তিক নিয়োগের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকি ৭ শতাংশ কোটা হিসেবে রাখা হয়েছে, যার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ১ শতাংশ এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জন্য ১ শতাংশ বরাদ্দ রয়েছে।...
13
২০২৪ সালের জুন মাস থেকে শুরু হওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে। দীর্ঘ দুই মাসের অস্থিরতা এবং নানা ঘটনার পর দেশটিতে সরকারি চাকরির নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসে। জনদাবির মুখে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির বিন্যাসে ব্যাপক সংস্কার করা হয়।
সর্বশেষ সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মেধাভিত্তিক নিয়োগের ওপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে ৯৩ শতাংশ নিয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে। বাকি ৭ শতাংশ কোটা হিসেবে রাখা হয়েছে, যার মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য ১ শতাংশ এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীর জন্য ১ শতাংশ বরাদ্দ রয়েছে। এর ফলে সরকারি চাকরির নিয়োগ কাঠামোতে বড় ধরনের ঐতিহাসিক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে।