ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ক্ষমতায় এসেই কূটনৈতিক ব্যবস্থায় বড় ধরনের রদবদল শুরু করেছে। এরই অংশ হিসেবে জাপান, কানাডা, ইন্দোনেশিয়া, ক্যামেরুন ও গ্রেনাডায় অবস্থিত নিজেদের কনস্যুলেট বন্ধের পরিকল্পনা করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিগুলোকে এই সিদ্ধান্তের কথা আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনো কোনো ঘোষণা আসেনি।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানান, পররাষ্ট্র দপ্তরের অপ্রয়োজনীয় ব্যয় সংকোচন এবং আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমাতেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে এই সংস্কার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে প্রায় ৩০টি মিশন বন্ধের প্রস্তাব উঠেছিল, যা চলমান প্রশাসনিক সংস্কারেরই ধারাবাহিকতা।
বিশ্লেষকদের মতে, বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক উপস্থিতি কমিয়ে ফেলার এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাবকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। অনেক বিশেষজ্ঞ ও ডেমোক্র্যাট নেতার মতে, ছোট মিশনগুলো বন্ধের ফলে চীন ও রাশিয়ার মতো প্রতিপক্ষ রাষ্ট্রগুলো বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রভাব বিস্তারের আরও বেশি সুযোগ পাবে। এ ধরনের বড় মাপের কূটনৈতিক কার্যক্রম সংকোচন মার্কিন পররাষ্ট্রনীতির ইতিহাসে বেশ বিরল বলেই মনে করা হচ্ছে।