শুক্রবার (৩১ জুলাই) পোল্যান্ড নিশ্চিত করে জানিয়েছে, দেশের পূর্বাঞ্চলে বৃহস্পতিবার আছড়ে পড়া ক্ষেপণাস্ত্রটি ছিল রাশিয়ার কেএইচ-১০১ ক্ষেপণাস্ত্র।
ক্ষেপণাস্ত্রটি পোলিশ ভূখণ্ডে পড়ে বিস্ফোরিত হলে ন্যাটো ও পোল্যান্ড যুদ্ধবিমান আকাশে পাঠায়। ক্ষেপণাস্ত্রটি পোলিশ ভূখণ্ডের প্রায় ৯০ কিলোমিটার ভেতরে পড়ে বিস্ফোরিত হয় এবং এতে মাটিতে গর্ত হয়ে যায় বলে জানিয়েছিল স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
এ ঘটনার জন্য পোল্যান্ড তাৎক্ষণিকভাবে রাশিয়াকে দোষারোপ করে।
পোল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মেইসিজ ভেভিওর সাংবাদিকদেরকে বলেন, আমরা রাষ্ট্রদূতকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র ও এর নাগরিকদের নিরাপত্তার বিরুদ্ধে পরিচালিত শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে আমাদের দ্ব্যর্থহীন নিন্দা জানিয়েছি।
তিনি আরো বলেন, আমরা এমন সব কর্মকাণ্ডের অবসান দাবি করি, যা সাধারণ মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা বিপন্ন করে এবং একইসঙ্গে উড়োজাহাজ চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করে।
পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশতে অবস্থিত রাশিয়ার দূতাবাস মন্তব্যের জন্য ইমেইলে পাঠানো অনুরোধের তাৎক্ষণিক কোনও সাড়া দেয়নি।
পোলিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিস্লাভ কোসিনিয়াক-কামিস শুক্রবার বলেছেন, ওয়ারশ নিশ্চিত করে জানিয়েছে যে, পোল্যান্ডে আঘাত হানা ক্ষেপণাস্ত্রটি চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে মস্কোর কাছে কোনো এলাকায় তৈরি করা হয়েছিল।
এক্সে তিনি লেখেন, তার মানে হচ্ছে- রাশিয়া ইউক্রেইনে হামলা চালাতে নতুন তৈরি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করছে। এতে রাশিয়ার যুদ্ধকালীন মজুদ ফুরিয়ে আসা নিয়ে যে সব খবর পাওয়া গেছে, সেগুলোই নিশ্চিত হয়।