বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
Title :
হাসান-খালেদ মিলে শিকার করলেন ডার্বিশায়ারের ৭ উইকেট সরকারি চাকুরীতে ভাইবা নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে গভীর রাতে বিক্ষোভ মিছিল ইবিতে বেনজীরকে ফেরাতে কী ব্যবস্থা, দ্রুত সংসদকে জানাতে স্পিকারের নির্দেশ তদন্তে ধীরগতি, জাবিতে ৯ মাস ধরে ঝুলে আছে চ্যান্সেলর কাপ ফাইনাল কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ৭৬ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গুরুদাসপুরে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত: জনবান্ধব পুলিশিংয়ের অঙ্গীকার এসপি শরিফুল হকের নাটোরে সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধা মাকে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টা, দুই ছেলে ও পুত্রবধূসহ গ্রেপ্তার ৪ সিংড়ায় নির্বাচন নিয়ে উত্তাপ: চামারীর প্রার্থীদের নিয়ে স্মার্ট প্রেস ক্লাবের ‘আলাপন’ সিংড়ায় বিভিন্ন দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক নাটোরে সিংড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস পালিত

শেরপুরের শ্রীবরদীতে সাড়ে ৪ লাখ টাকার ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, সীমান্তে কঠোর নজরদারির দাবি

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০ Time View
17

সুলতান আহমেদ ময়না, শেরপুর:

শেরপুরের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবৈধ চোরাচালান থামছেই না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত অভিযান ও কোটি কোটি টাকার চোরাই পণ্য উদ্ধারের পরও বন্ধ হচ্ছে না পাচারকারীদের দৌরাত্ম্য। এর অংশ হিসেবে সর্বশেষ গত মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) ভোরে শ্রীবরদী উপজেলার চান্দাপাড়া সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকার ভারতীয় প্রসাধনী ও একটি অটোভ্যান জব্দ করেছে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ভোরে চান্দাপাড়া এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিজিবির একটি টহল দল। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা মালামাল ও অটোভ্যান ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা ভারতীয় প্রসাধনী ও অটোভ্যানের আনুমানিক বাজারমূল্য ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এ বিষয়ে ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়ন (৩৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নুরুল আজিম বায়েজীদ জানান, ময়মনসিংহ ও শেরপুর সীমান্তে চোরাচালান, মাদক এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রুখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে এবং এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সীমান্তবর্তী দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলের ভৌগোলিক সুবিধা কাজে লাগিয়ে চোরাকারবারিরা রুটগুলোকে নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার করছে। বিচ্ছিন্নভাবে কিছু চালান জব্দ করা হলেও মূল হোতারা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের দাবি, কেবল রুটিন অভিযান চালিয়ে এই অপরাধমূলক কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ করা সম্ভব নয়। সীমান্ত এলাকায় স্থায়ী প্রশাসনিক কঠোর সুরক্ষাবলয় গড়ে তোলা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত উদ্যোগই কেবল এই চোরাচালান সিন্ডিকেট নির্মূল করতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com