সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ সারাদেশের ন্যায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভার্চুয়ালি উদ্বোধনের পর শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ কর্মসূচি
বাংলাদেশে এডিস মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুর প্রকোপ দিন দিন আরও মারাত্মক রূপ ধারণ করছে, যার ফলে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশজুড়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে
বাংলাদেশে বর্তমানে বাত ও হাড়ের নানা রোগ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি রাজধানী ঢাকায় আয়োজিত এক বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে
শিশুদের মারাত্মক রোগ হাম থেকে সুরক্ষিত রাখতে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে দেশব্যাপী ব্যাপক পরিসরে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনামন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এই
দেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলা এবং সামগ্রিক পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী এক বিশাল উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যে সম্প্রতি রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে তিন মাসব্যাপী একটি ব্যাপক ডেঙ্গু প্রতিরোধ
রাজধানীতে এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। সম্প্রতি সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএনসিসির আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায়
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল দীর্ঘদিন ধরে তীব্র জনবল সংকটের মধ্য দিয়ে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। নির্ধারিত জনবলের ঘাটতির কারণে চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে প্রতিনিয়ত হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে চিকিৎসা নিতে আসা
বাংলাদেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, ডেঙ্গুতে
দেশে এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরের পরিস্থিতি দিন দিন আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যা এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
দেশে শিশু স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে একটি উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যেখানে সম্প্রতি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের ঘটনাগুলো শিশুদের রোগ প্রতিরোধ