শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
Title :
৯ দেশের ১৪০ অভিবাসীকে ফেরত পাঠাল মালয়েশিয়া, প্রবেশে আজীবন নিষেধাজ্ঞা শাহজালালে ৫ যাত্রীর ব্যাগে মিললো ২৪ লিটার মদ প্রধানমন্ত্রীর ব্যয় সংকোচনের নানা দৃষ্টান্ত তুলে ধরলেন চিফ হুইপ ডেঙ্গু ঠেকাতে আজ থেকে বাড়ি বাড়ি অভিযান, মাঠে ১৫০০ কর্মী ক্যানভাসে জুলাইয়ের স্মৃতি, ডাকসুতে ২৮০ শিল্পকর্ম ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার দুই এবার ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলার যোগ্যতাও হারালেন রিজওয়ান-ইমাম শাহজালালে ১৪ কেজি সোনা জব্দ: রিমান্ড শেষে অভিযুক্ত সজীব কারাগারে শরীয়াহবিরোধী আইনের সমাধান না হলে গণআন্দোলনের হুঁশিয়ারি চাঁদা না পেয়ে ছাত্রদল নেতার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভাঙচুর যুবদল নেতার

ডেঙ্গু ঠেকাতে আজ থেকে বাড়ি বাড়ি অভিযান, মাঠে ১৫০০ কর্মী

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২ Time View
3

রাজধানীতে এডিস মশার বিস্তার রোধ এবং ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। সম্প্রতি সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ডেঙ্গু প্রতিরোধে ডিএনসিসির আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিদর্শন এবং মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে মোট ২৪টি আলাদা দলে বিভক্ত হয়ে প্রায় ১ হাজার ৫০০ প্রশিক্ষিত কর্মী মাঠপর্যায়ে কাজ পরিচালনা করছেন। জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পরপরই এই জোরালো কার্যক্রম শুরু করা হয়।

জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ডিএনসিসির স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে একটি তথ্যবহুল স্টল স্থাপন করা হয়। সেখান থেকে নগরবাসীকে ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ এবং এ বিষয়ে করণীয় নানা দিক সম্পর্কে সচেতন করতে বিভিন্ন প্রচারসামগ্রী প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার পর ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর সংসদ ভবন ও আশপাশের অত্যন্ত সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে তাৎক্ষণিকভাবে বিশেষ লার্ভানিধন ও সোর্স রিডাকশন কার্যক্রম চালানো হয়।

অভিযান সফল করতে ডিএনসিসির বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মশককর্মী ও সুপারভাইজারদের এনে অত্যন্ত কৌশলগতভাবে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। অঞ্চল-২, ৩ ও ৪ থেকে নির্ধারিত সংখ্যক কর্মীকে সাময়িকভাবে অঞ্চল-৫ এবং সংসদ ভবন এলাকার কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় কার্যক্রমে অংশ নেওয়া কর্মী বাদে বাকিরা নিজ নিজ এলাকায় অবস্থান করে বিশেষ মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। বিশেষ করে অঞ্চল-১, ৬, ৭, ৮ ও ৯-এর ঝুঁকিপূর্ণ স্থান এবং আগের চিহ্নিত হটস্পটগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এবারের কার্যক্রমে শুধু মশার ওষুধ ছিটানোর ওপর নির্ভর না করে এডিস মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করা এবং তা ধ্বংস করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। জমে থাকা পানি অপসারণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী লার্ভিসাইড প্রয়োগের মাধ্যমে উৎস নির্মূলের কাজটি এবার সর্বাধিক গুরুত্ব পাচ্ছে। পুরো কার্যক্রমটি সঠিকভাবে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সার্বিক তদারকি ও সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মাঠপর্যায়ের জনবলের কার্যক্রম এবং প্রজননস্থল ধ্বংসের অগ্রগতি সরাসরি মনিটর করার জন্য কঠোর নির্দেশনাও জারি করেছে সিটি করপোরেশন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com