শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
Title :
ফোন-ল্যাপটপ বা গ্যাজেটে ডাস্টবিনের ওপর ক্রস চিহ্ন কেন থাকে জানেন? দুদকের জালে বান্দরবান আ.লীগ নেতা লক্ষ্মীপদ দাস ও তার স্ত্রী, অনুসন্ধানে নামল কমিশন প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে পুলিশ কর্মকর্তার রাত্রিযাপন, দুজনই কারাগারে কীভাবে ৯/১১-এর ঘটনা থেকে এখনো শেখার আছে? কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ নেই কারিগরি ত্রুটিতে আদানির এক ইউনিট বন্ধ, বাড়ছে লোডশেডিং নাটোর ডায়রিয়ার প্রকোপ, ঠাঁই নেই হাসপাতালে স্বর্ণের দাম আরো কমলো ইবি ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে সফলভাবে সম্পন্ন হলো ‘ক্যারিয়ার নেক্সাস ২০২৬’ ‘নাইন ইলেভেন’- যে দিনের পর বদলে গেছে মুসলিমদের সাথে আমেরিকার সম্পর্ক

নাটোর ডায়রিয়ার প্রকোপ, ঠাঁই নেই হাসপাতালে

Reporter Name
  • Update Time : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ০ Time View
1

সম্প্রতি নাটোর সদর আধুনিক হাসপাতালে হঠাৎ করেই ডায়রিয়া রোগীর চাপ আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিন শত শত রোগী বমি, পাতলা পায়খানা ও তীব্র পেটব্যথা নিয়ে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ছুটে আসছেন। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, নির্ধারিত শয্যা খালি না থাকায় অনেককেই বাধ্য হয়ে হাসপাতালের ঠান্ডা মেঝেতে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। আকস্মিক এই রোগীর ঢল সামাল দিতে গিয়ে চিকিৎসক ও নার্সসহ পুরো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই বেশ হিমশিম খেতে হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কানাইখালী, কান্দিভিটা, চকরামপুর, পটুয়াপাড়া, রামাইগাছি এবং বড় হরিশপুর এলাকার বাসিন্দারাই ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। চিকিৎসাধীন এক রোগী নাজমা বেগম জানান, বাড়িতে সরবরাহের পানি পান করার পরই তার পরিবারে এই অসুস্থতা দেখা দেয়। একই এলাকার রবিউল ইসলামও প্রথমে সামান্য পাতলা পায়খানা অনুভব করলেও পরে শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, সরবরাহ করা দূষিত পানি পান করার কারণেই এলাকায় এই ডায়রিয়ার প্রকোপ ছড়িয়ে পড়েছে।

মৌসুম পরিবর্তনের এই সময়ে সাধারণ সময়েও ডায়রিয়ার সংক্রমণ কিছুটা বেশি থাকে, তবে এবারের পরিস্থিতি কিছুটা ব্যতিক্রম বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। নাটোরের সিভিল সার্জন ডা. মুহাম্মদ মশিউর রহমানের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহেই নাটোর জেনারেল হাসপাতালে কেবল ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে ৫১৬ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে শুধুমাত্র একদিনেই রেকর্ড সংখ্যক রোগী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হয়েছেন, যা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ছাড়াও নারী ও শিশুর সংখ্যাই উল্লেখযোগ্য একটি অংশ জুড়ে রয়েছে।

এদিকে ডায়রিয়া প্রাদুর্ভাবের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। তবে আক্রান্তরা ঠিক কোন সুনির্দিষ্ট এলাকার বা কোন উৎস থেকে সংক্রমিত হচ্ছেন, তা খতিয়ে দেখছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নাটোর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. মাহাবুবুর রহমান জানিয়েছেন, রোগীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বাড়লেও পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছেন এবং হাসপাতালে পর্যাপ্ত ওষুধ ও স্যালাইন মজুত রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য সংকট এড়াতে খুব দ্রুত আরও বাড়তি স্যালাইনের চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট পাঠানো হবে বলে সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com