বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
Title :
ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলা: দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে গুরুদাসপুর থানার ওসি প্রত্যাহার রামগঞ্জে মাকে খুঁজতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে দেড় বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসির নতুন পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ কালিয়াকৈর আনসার-ভিডিপি একাডেমির কুটিরশিল্পে মুগ্ধ চার দেশের রাষ্ট্রদূত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার নতুন ডিএস হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম রামগঞ্জে ফুটবল টুর্নামেন্টের সংঘর্ষ: ছোট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রবাস ফেরত বড় ভাই মৃত্যুর মুখে নীলফামারীতে রাতের আঁধারে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিল, স্লোগান ‘ডিসেম্বরে খেলা হবে’ নাটোর জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর নির্দেশ এসপির প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবের পরিচয়ে প্রতারণা: নাটোর থেকে গ্রেপ্তার ১

সৈয়দপুরে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩২ Time View
38

মোঃ মাইনুল হক (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর সৈয়দপুরে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (এটিও) মরিয়ম নেছার বিরুদ্ধে ঘুষ ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন এক প্রধান শিক্ষক। শিশু মঙ্গল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শাহানাজ আখতার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ওয়াশব্লক বরাদ্দের কথা বলে প্রধান শিক্ষকের কাছ থেকে ৫ হাজার টাকা ঘুষ নেন এটিও মরিয়ম নেছা। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ওয়াশব্লকের কোনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। এছাড়া, ঘুষের টাকা না দেওয়ায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের স্লিপের (বিদ্যালয়ভিত্তিক উন্নয়ন পরিকল্পনা) বরাদ্দের চেকে স্বাক্ষর করছেন না তিনি। অথচ নিয়ম অনুযায়ী সমস্ত কাজ নির্ধারিত সময়ের আগেই সম্পন্ন করে ভাউচার জমা দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন কেন্দ্রের জন্য প্রধান শিক্ষকের নিজ খরচে স্থাপন করা সিসি ক্যামেরার সরকারি বরাদ্দকৃত টাকাও উপজেলা অফিস থেকে কৌশলে স্বাক্ষর করে তুলে আত্মসাৎ করেছেন ওই কর্মকর্তা। এমনকি বিদ্যালয়ের সরকারি ল্যাপটপ, ফায়ার এক্সটিংগুইশার (আগুন নেভানোর যন্ত্র), বিদ্যুৎ সুরক্ষাসামগ্রী এবং বিদ্যালয়ভিত্তিক মোবাইল সিম নিজের জিম্মায় রেখেছেন তিনি।

প্রতিষ্ঠানটির দুই শিক্ষিকা জাহানারা বেগম ও বেবী খাতুন নিয়মিত ক্লাস ফাঁকি দিয়ে বিদ্যালয়ে ঘুমালেও অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে তিনি দাম্ভিকতা দেখিয়ে প্রধান শিক্ষককে নানা ধরনের হুমকি দেন এবং ঊর্ধ্বতন মহলে অভিযোগ দিয়েও লাভ হবে না বলে জানান। এর ফলে বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পাঠদান কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন প্রধান শিক্ষক শাহানাজ আখতার। তিনি এই অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছাড়াও রংপুর বিভাগীয় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অনুলিপি দিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মরিয়ম নেছা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে দাবি করে জানান, অভিযোগকারী কোনো ধরনের তথ্য-প্রমাণ বা দালিলিক প্রমাণ দিতে পারেননি।

সৈয়দপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাসুদুল হাসান বলেন, অভিযোগের অনুলিপি পাওয়া গেছে। বিষয়টি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দপ্তরাধীন হওয়ায় তিনিই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। তদন্ত সাপেক্ষে সত্যতা প্রমাণিত হলে বিভাগীয় নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নীলফামারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম জানান, অভিযোগ হাতে পেয়েছেন এবং বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com