বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১৩ অপরাহ্ন
Title :
সিংড়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা: মাদক ও অপরাধ দমনে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার তাগিদ সুন্দরগঞ্জে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র ৪ শতাংশ বনভূমি: জলবায়ু ঝুঁকিতে লালমনিরহাটের তিস্তাপাড়ের মানুষ রামগঞ্জে ১৬১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯২টিতেই নেই প্রধান শিক্ষক, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম শেরপুরে নদী ড্রেজিং ও ম্যাটেরিয়াল ব্যবস্থাপনা কমিটির পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত ইবিতে তিন দিনব্যাপী ফুড ফেস্টিভ্যাল সম্পন্ন, ১০ অক্টোবর শিল্পখাতের সঙ্গে কোলাবোরেশন কালিয়াকৈরে এলপিজি গ্যাসের চড়া দাম: সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে চরের কাশবনে মাদক ও অশ্লীলতার আসর গুঁড়িয়ে দিল পুলিশ সৈয়দপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জিয়া মঞ্চের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে একসঙ্গে তিন সন্তানের জন্ম, সহায়তায় এগিয়ে এলেন ইউএনও

বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে আনার তিন শর্ত জানালেন আইনজীবী শিশির মনির

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ৪১ Time View
65

নিউজ ডেস্ক:
সাবেক আলোচিত-সমালোচিত পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। তার মতে, শক্তিশালী আইনি নথিপত্র, নির্ভুল তথ্য উপস্থাপন এবং উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা নিশ্চিত করা গেলে বেনজীরকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব।

সোমবার (১৫ জুন) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘বেনজীর আহমেদকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার আইনি ও কূটনৈতিক প্রক্রিয়া: একটি সারসংক্ষেপ’ শিরোনামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

শিশির মনির বলেন, বাংলাদেশ ও ইউএইর মধ্যে বর্তমানে কোনও কার্যকর দ্বিপাক্ষিক প্রত্যর্পণ (এক্সট্রাডিশন) চুক্তি নেই। তবে ২০১৪ সালে দুই দেশের মধ্যে সই করা ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন সিকিউরিটি কো-অপারেশন’ এবং ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্রান্সফার অব সেন্টেন্সড প্রিজনার্স’ বিচারিক সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি ভিত্তি তৈরি করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকলেও বাংলাদেশের ‘এক্সট্রাডিশন অ্যাক্ট, ১৯৭৪’-এর ধারা ৪ অনুযায়ী সরকার চাইলে সংশ্লিষ্ট দেশের সঙ্গে আইনের আওতায় প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করতে পারে।

ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, ইউএইর আইনের অধীনে গ্রেফতারের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশকে কূটনৈতিক মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ আবেদন পাঠাতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রস্তাব প্রস্তুত করবে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কূটনৈতিক চ্যানেলে তা পাঠাবে এবং বাংলাদেশ পুলিশের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) সার্বক্ষণিক সমন্বয় করবে।

প্রত্যর্পণ আবেদনের সঙ্গে আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা, এফআইআর, চার্জশিট বা তদন্ত প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপ, অভিযুক্তের পরিচয় ও নাগরিকত্বের তথ্য, অপরাধের বিবরণ, প্রাসঙ্গিক আইন এবং অভিযোগের সমর্থনে প্রমাণাদি সংযুক্ত করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

শিশির মনিরের মতে, প্রত্যর্পণ আবেদন পাওয়ার পর ইউএইর আদালত কয়েকটি বিষয় যাচাই করবে। এর মধ্যে রয়েছে অভিযোগকৃত অপরাধ ইউএইর আইনেও অপরাধ কি না (ডুয়াল ক্রিমিনালিটি), মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কি না এবং বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার পর অভিযুক্ত ন্যায়সঙ্গত ও নিরপেক্ষ বিচার পাবেন কি না।

অতীতের একটি সফল উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ খান হত্যা মামলার আসামি মোহসিন মিয়া ও আরিফ সরকারকে ইন্টারপোলের রেড নোটিশের ভিত্তিতে দুবাই থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল। যথাযথ নথিপত্র ও সংশ্লিষ্ট দেশের সহযোগিতা থাকলে প্রত্যর্পণ সফল হওয়া সম্ভব।

সবশেষে শিশির মনির বলেন, বেনজীর আহমেদের সফল প্রত্যর্পণ নির্ভর করবে তিনটি বিষয়ের ওপর—নিখুঁত ও শক্তিশালী আইনি নথিপত্র, অভিযুক্তের পরিচয় ও মামলার তথ্যের নির্ভুল উপস্থাপন এবং ধারাবাহিক ও উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক তৎপরতা। এই তিন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সফল হলে তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com