শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
Title :
রামগঞ্জে বিনামূল্যে ৭ শতাধিক অসহায় মানুষকে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান শেরপুরে সাড়ে ৮ লাখ টাকার ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, থামছে না চোরাচালান সিন্ডিকেট নাটোরে সিংড়া স্মার্ট প্রেস ক্লাবে ‘স্মার্ট সাহিত্য পাঠাগার’ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল রামগঞ্জে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় প্রবাসী যুবককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মাহফুজ আটক ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলা: দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে গুরুদাসপুর থানার ওসি প্রত্যাহার রামগঞ্জে মাকে খুঁজতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে দেড় বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসির নতুন পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ কালিয়াকৈর আনসার-ভিডিপি একাডেমির কুটিরশিল্পে মুগ্ধ চার দেশের রাষ্ট্রদূত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার নতুন ডিএস হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়াউল

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৭ Time View
35

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ র‍্যাবের সাবেক কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর সাক্ষ্য দিয়েছেন ট্রলার মাঝি আব্বাস মল্লিক। জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, ২০১০-১১ সালের দিকে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে গভীর নদীতে বন্দিদের নিয়ে যাওয়া হতো। সেখানে তাদের গুলি করে হত্যার পর সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হতো। এছাড়া আলামত নষ্ট করতে নিহতদের পেট কেটে নাড়িভুঁড়ি বের করে দেওয়া হতো এবং রক্তের দাগ মুছতে ট্রলার ধুয়ে পরিষ্কার করা হতো।

সাক্ষী আব্বাস মল্লিক জানান, জিয়াউল আহসান ব্যক্তিগতভাবে এসব হত্যাকাণ্ডে অংশ নিতেন। তিনি বর্ণনা করেন, রাত ১২টার দিকে মাইক্রোবাসে করে হাত-চোখ বাঁধা বন্দিদের আনা হতো এবং ট্রলারে তুলে বলেশ্বর নদীর গভীর জলসীমায় নিয়ে যাওয়া হতো। একেকজন বন্দিকে নৌকায় বসিয়ে জিয়াউল আহসান সরাসরি গুলি করতেন। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর র‍্যাব সদস্যরা নাটক সাজিয়ে সাংবাদিকদের ডেকে মৃতদেহগুলো বিভিন্ন থানায় হস্তান্তর করতো। এ কাজে সহায়তা করার বিনিময়ে মাঝিদের খামভর্তি টাকা দেওয়া হতো বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

নিজের ছোট ভাই আলকাছ মল্লিকের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার উল্লেখ করে আব্বাস মল্লিক জানান, তার ভাই র‍্যাবের সঙ্গে কাজ করতেন এবং জিয়াউল আহসানের নির্দেশেই তাকে ডাকা হয়েছিল। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার চেয়ে তিনি ট্রাইব্যুনালের কাছে জবানবন্দি প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিবাদী পক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষীকে জেরা করেন। এই মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com