বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৯ অপরাহ্ন
Title :
নাটোরে সিংড়ায় দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ সহায়তার চেক বিতরণ পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান অধ্যাপক নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া গুরুদাসপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নাটোরের গুরুদাসপুরে কাভার্ড ভ্যান ও অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৮ দাপুটে অতিরিক্ত ডিআইজিসহ তিন পুলিশ সুপারকে বরখাস্ত গুরুদাসপুরে রাশিদ-নিলু ফাউন্ডেশনের মানবিক সহায়তা: কৃতি শিক্ষার্থী ও রোগীদের মাঝে সাড়ে ৮ লাখ টাকা বিতরণ কলকাতায় বিপাকে বাংলাদেশিরা, হোটেলের বদলে থাকতে হচ্ছে রাস্তাতেই মাদ্রাসাছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, ২ শিক্ষক আটক ভূরুঙ্গামারীতে ডিলার পয়েন্টে কৃষকদের বিক্ষোভ, অবশেষে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে সার বিতরণ রামগঞ্জে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর হুশিয়ারি: ‘হয় মাদক ছাড়ো, না হয় এলাকা ছাড়ো’

বন্দিদের পেট চিরে সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলতেন জিয়াউল

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ Time View
9

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ র‍্যাবের সাবেক কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে গুম ও হত্যাকাণ্ডের চাঞ্চল্যকর সাক্ষ্য দিয়েছেন ট্রলার মাঝি আব্বাস মল্লিক। জবানবন্দিতে তিনি দাবি করেন, ২০১০-১১ সালের দিকে জিয়াউল আহসানের নেতৃত্বে গভীর নদীতে বন্দিদের নিয়ে যাওয়া হতো। সেখানে তাদের গুলি করে হত্যার পর সিমেন্টের বস্তা বেঁধে নদীতে ফেলে দেওয়া হতো। এছাড়া আলামত নষ্ট করতে নিহতদের পেট কেটে নাড়িভুঁড়ি বের করে দেওয়া হতো এবং রক্তের দাগ মুছতে ট্রলার ধুয়ে পরিষ্কার করা হতো।

সাক্ষী আব্বাস মল্লিক জানান, জিয়াউল আহসান ব্যক্তিগতভাবে এসব হত্যাকাণ্ডে অংশ নিতেন। তিনি বর্ণনা করেন, রাত ১২টার দিকে মাইক্রোবাসে করে হাত-চোখ বাঁধা বন্দিদের আনা হতো এবং ট্রলারে তুলে বলেশ্বর নদীর গভীর জলসীমায় নিয়ে যাওয়া হতো। একেকজন বন্দিকে নৌকায় বসিয়ে জিয়াউল আহসান সরাসরি গুলি করতেন। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর র‍্যাব সদস্যরা নাটক সাজিয়ে সাংবাদিকদের ডেকে মৃতদেহগুলো বিভিন্ন থানায় হস্তান্তর করতো। এ কাজে সহায়তা করার বিনিময়ে মাঝিদের খামভর্তি টাকা দেওয়া হতো বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

নিজের ছোট ভাই আলকাছ মল্লিকের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার উল্লেখ করে আব্বাস মল্লিক জানান, তার ভাই র‍্যাবের সঙ্গে কাজ করতেন এবং জিয়াউল আহসানের নির্দেশেই তাকে ডাকা হয়েছিল। এরপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার চেয়ে তিনি ট্রাইব্যুনালের কাছে জবানবন্দি প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিবাদী পক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষীকে জেরা করেন। এই মামলার পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com