শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১২ পূর্বাহ্ন
Title :
রামগঞ্জে বিনামূল্যে ৭ শতাধিক অসহায় মানুষকে চিকিৎসা ও ওষুধ প্রদান শেরপুরে সাড়ে ৮ লাখ টাকার ভারতীয় প্রসাধনী জব্দ, থামছে না চোরাচালান সিন্ডিকেট নাটোরে সিংড়া স্মার্ট প্রেস ক্লাবে ‘স্মার্ট সাহিত্য পাঠাগার’ উদ্বোধন ও দোয়া মাহফিল রামগঞ্জে মাদক ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় প্রবাসী যুবককে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মাহফুজ আটক ছাত্রদল নেতা শাকিল হত্যা মামলা: দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগে গুরুদাসপুর থানার ওসি প্রত্যাহার রামগঞ্জে মাকে খুঁজতে গিয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে দেড় বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিসির নতুন পরিচালকের দায়িত্ব গ্রহণ কালিয়াকৈর আনসার-ভিডিপি একাডেমির কুটিরশিল্পে মুগ্ধ চার দেশের রাষ্ট্রদূত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার নতুন ডিএস হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৭ Time View
40

ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পলাতক আসামি ওবায়দুল কাদেরসহ পাঁচ শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ঐতিহাসিক এই রায় প্রদান করেন, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ও বিচারিক ইতিহাসে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সাম্প্রতিক এই বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি বিচারিক প্যানেল এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। এই বিচারিক প্যানেলের অপর দুই সম্মানিত সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। আদালতের এই বিচারিক প্যানেল অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে রায়টি প্রস্তুত করেন।

আদালতের বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে একে একে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষণা করা হয়, যার শুরুতেই ওবায়দুল কাদেরের সর্বোচ্চ শাস্তির আদেশ দেওয়া হয়। ওবায়দুল কাদের ছাড়াও এই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর চার শীর্ষ নেতা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। ট্রাইব্যুনালের এই রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত সহিংসতার বিচার প্রক্রিয়ায় একটি বড় মাইলফলক অর্জিত হলো।

রায় ঘোষণার সময় ট্রাইব্যুনাল বিচারিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের বিষয়েও পর্যায়ক্রমে সিদ্ধান্ত জানান। তবে আলোচিত এই মামলায় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের ভাগ্য নিয়ে পরবর্তী সময়ে আদালত কী রায় দেন, সেদিকে সবার নজর রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং আসামিপক্ষের পলাতক থাকা অবস্থায় এই বিচার সম্পন্ন হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com