কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে একদিনে জিদনী সায়হাম ও সৈয়দ বানু নামে দুই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মৃত জিদনী সায়হাম ঢাকার একটি হাসপাতালে এবং সৈয়দ বানু ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। এই অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং মশা নিধনে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন স্থানীয়রা।
ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় এবং ময়লা-আবর্জনা ফেলার নির্দিষ্ট ডাম্পিং স্টেশন না থাকায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বুধবার সন্ধ্যা থেকে দুই ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। ভৈরব শহরের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ ও বর্জ্য অব্যবস্থাপনার কারণে মশার উপদ্রব চরম আকার ধারণ করেছে বলে অভিযোগ করেন তারা। পরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আশ্বাসে এলাকাবাসী অবরোধ তুলে নেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ স্বীকার করেছেন যে, সঠিক ডাম্পিং ব্যবস্থার অভাবে শহরে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। দ্রুত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। তবে ভৈরববাসীদের দাবি, শুধুমাত্র আশ্বাসে নয়, দ্রুত ময়লার স্তূপ অপসারণ করে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন।