মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
Title :
বাঁধনের দৃঢ় ঘোষণা, ‘কেস ফাইল না করে ভেনিস ছাড়ছি না’ র‌্যাব বিলুপ্ত হয়ে পাস হচ্ছে এসআরবি বিল, সংসদীয় কমিটির অনুমোদন ডেঙ্গুতে বছরের সর্বোচ্চ মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড আওয়ামী লীগে শেখ সেলিমকে নিয়ে আলোচনা কেন ভাইভার নম্বর বাড়িয়ে সরকারি চাকরিতে স্বজনপ্রীতির সুযোগ বাড়াচ্ছে সরকার নাসা গ্রুপের নজরুল ও তার স্ত্রীর ৮৫ কোটি টাকার সম্পদ জব্দের নির্দেশ মিথিলার দ্বিতীয় সংসারও কি ভেঙে গেল? স্বামী সৃজিতের কথায় ইঙ্গিত আংটি হারিয়ে কি সত্যিই রাজত্ব হারিয়েছিলেন সুলাইমান (আ.)? হারানো সরকারি অস্ত্রের তথ্য দিলেই মিলবে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কার দুই সাবমেরিন ক্যাবলেই নির্ভরতা, বাড়ছে ইন্টারনেট বিপর্যয়ের ঝুঁকি

আওয়ামী লীগে শেখ সেলিমকে নিয়ে আলোচনা কেন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩ Time View
4

বাংলাদেশের রাজনীতিতে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ নেতৃত্ব এবং ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকার নিয়ে নতুন করে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্প্রতি ভারতে অবস্থানরত দলটির প্রধান শেখ হাসিনার একটি টেলিফোন সাক্ষাৎকার প্রকাশের পরই এই রাজনৈতিক গুঞ্জন তীব্র আকার ধারণ করে। বিশেষ করে দলটির শীর্ষ পদে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে কে দায়িত্ব নেবেন, সেই প্রশ্নটি এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ওয়াল’-কে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনাকে দলের সাংগঠনিক ভবিষ্যৎ ও শীর্ষ নেতৃত্ব সম্পর্কে নানা প্রশ্ন করা হয়েছিল। সেই আলাপে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, কোনো কারণে তাঁর অনুপস্থিতি ঘটলে সেই শূন্যস্থান পূরণে দলের অভিজ্ঞ নেতা শেখ সেলিম সভাপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করবেন। এই মন্তব্যের পরেই রাজনৈতিক বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সাধারণ কর্মী মহলে শেখ সেলিমের রাজনৈতিক অবস্থান ও গুরুত্ব নিয়ে নতুন সমীকরণ মেলানো শুরু হয়েছে।

শেখ সেলিম দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী ও বিশ্বস্ত মুখ হিসেবে পরিচিত এবং তিনি দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নিকটাত্মীয়ও বটে। দীর্ঘদিন ধরে দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসা এই নেতার প্রতি দলীয় প্রধানের এমন আস্থা প্রকাশের বিষয়টি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পালাবদলের প্রেক্ষাপটে এই ঘোষণাকে আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কাঠামোগত স্থিতিশীলতা রক্ষার একটি সুনির্দিষ্ট বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

তবে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে শেখ হাসিনার এই বক্তব্য দলের ভেতরে ও বাইরে কতটা প্রভাব ফেলবে এবং আগামী দিনে এর বাস্তবায়ন কীভাবে হবে, তা নিয়ে নানা মুনির নানা মত রয়েছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক পুনর্গঠন এবং নেতৃত্ব টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে এই নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মোড় হিসেবে কাজ করতে পারে। দলীয় প্রধানের এমন ঘোষণায় বিরোধী পক্ষ ও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের নজর এখন শেখ সেলিমের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপগুলোর দিকে নিবদ্ধ রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com