ইবি প্রতিনিধি :
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষা, স্কলারশিপের সুযোগ এবং আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার গড়ার সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আমেরিকান সোসাইটি ফর মাইক্রোবায়োলজি (এএসএম) স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের উদ্যোগে সোমবার (৫ অক্টোবর) এ আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চীনের সিংসুয়া ইউনিভার্সিটির পিএইচডি গবেষক এবং ইবির একই বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মো. আল-আমিন মিলন। এএসএম ইবি স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের উপদেষ্টা ও কান্ট্রি অ্যাম্বাসেডর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিন্নাতুল করিম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভাগের অধ্যাপক ড. রেজুওয়ানুল ইসলাম, ড. নিলুফা আখতার বানু, ড. মাফিজুর রহমান, ড. রকিবুল ইসলাম, ড. খসরুল আলম, ড. সুধাংশু কুমার বিশ্বাস, ড. হোসাইন মো. ফারুকী, ড. অঞ্জনা পারভীন এবং সহযোগী অধ্যাপক ড. রেজাউল করিমসহ অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনা পর্বে মো. আল-আমিন মিলন স্কলারশিপের খোঁজ নেওয়ার পদ্ধতি, বিশ্ববিদ্যালয় বাছাই, আবেদন করার নিয়ম এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ার পরিকল্পনার নানা দিক তুলে ধরেন। তিনি বিভিন্ন দেশের সরকারি অনুদান, ফুলি ফান্ডেড ও পার্শিয়ালি ফান্ডেড স্কলারশিপের বিষয়ে শিক্ষার্থীদের বিস্তারিত ধারণা দেন।
তিনি পরামর্শ দিয়ে বলেন, বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা হঠাৎ করে না করে শুরু থেকেই সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগোতে হবে। কোন দেশ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে ইচ্ছুক, তা আগে থেকেই ঠিক করে সে অনুযায়ী একাডেমিক প্রোফাইল প্রস্তুত করা জরুরি।
চীনা সরকারের সিএসসি স্কলারশিপ পাওয়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে তিনি জানান, বায়োটেকনোলজি, মাইক্রোবায়োলজি, মলিকুলার বায়োলজি ও এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সের মতো বিষয়গুলোতে বিশ্বজুড়ে গবেষণার সুযোগ রয়েছে। তবে সঠিক তথ্যের অভাবে অনেক শিক্ষার্থী সময়মতো সুযোগ লুফে নিতে পারে না।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিন্নাতুল করিম বলেন, বিভাগের একজন সাবেক শিক্ষার্থী বিদেশে সফলভাবে পড়াশোনা করছেন—এটি অত্যন্ত গৌরবের বিষয়। এই সেমিনারের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে নিজেদের উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ারের পথ আরও সুগম করতে পারবে।