বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৬ অপরাহ্ন
Title :
কালিয়াকৈর আনসার-ভিডিপি একাডেমির কুটিরশিল্পে মুগ্ধ চার দেশের রাষ্ট্রদূত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার নতুন ডিএস হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম রামগঞ্জে ফুটবল টুর্নামেন্টের সংঘর্ষ: ছোট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রবাস ফেরত বড় ভাই মৃত্যুর মুখে নীলফামারীতে রাতের আঁধারে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিল, স্লোগান ‘ডিসেম্বরে খেলা হবে’ নাটোর জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর নির্দেশ এসপির প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবের পরিচয়ে প্রতারণা: নাটোর থেকে গ্রেপ্তার ১ কুড়িগ্রামের দুধকুমার নদে রাতভর অভিযান: জব্দ অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জাল দীর্ঘ ২০ বছর পর নতুন সাজে সৈয়দপুরের কামারপুকুর ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় লক্ষ্মীপুরে কুঁচিয়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করছেন সিলেটি একদল পেশাজীবী

শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে কামিল পাস, কর্মসংস্থানের অপেক্ষায় গাইবান্ধার শাহনাজ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫০ Time View
80

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধিঃ

জন্ম থেকেই দুই পা ও একটি হাত অচল। উচ্চতাও তিন ফুটের কম। শত প্রতিকূলতা ও শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছেন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মোছা. শাহানাজ পারভীন। সব বাধা পেরিয়ে কামিল পাস করলেও উপযুক্ত চাকরির অভাবে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের কেকৈ কাশদহ গ্রামের দরিদ্র কৃষক মুসলিম আলীর চার কন্যার মধ্যে শাহানাজ সবার ছোট। বাকি তিন বোন সুস্থ ও স্বাভাবিক থাকলেও শাহানাজ জন্ম নেন প্রতিবন্ধকতা নিয়ে। তবে থেমে থাকেননি তিনি। শুধু বাম হাতের ওপর ভর দিয়ে চালিয়ে গেছেন পড়াশোনা। এভাবেই ২০১১ সালে দাখিল, ২০১৩ সালে আলিম, ২০১৮ সালে ফাজিল এবং ২০২২ সালে সফলতার সাথে কামিল ডিগ্রি অর্জন করেন। এমনকি নিজের দৈনন্দিন সব কাজও তিনি বাম হাত দিয়েই সম্পন্ন করেন।

পড়াশোনা শেষ করে একটি সম্মানজনক চাকরি নিয়ে পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর স্বপ্ন ছিল শাহানাজের। বয়স এখন ৩১ বছর। কয়েকবার চাকরির আবেদন করেও কাঙ্ক্ষিত সুযোগ পাননি। প্রায় দুই বছর আগে বিয়ে হলেও স্বামীর অবস্থাও অসচ্ছল হওয়ায় মূলত বাবার বাড়িতেই দিন কাটছে তাঁর। স্বামীর সংসারে বছরে বড়জোড় এক-দুবার যাওয়া হয় তাঁর।

শাহানাজ পারভীন আক্ষেপ করে জানান, পড়াশোনা শেষে একটি চাকরি করার তীব্র ইচ্ছা ছিল তাঁর। অনেক চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। একটি কর্মসংস্থান পেলে তিনি যেমন নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারতেন, তেমনি তাঁর দরিদ্র পরিবারকেও সাহায্য করতে পারতেন।

স্থানীয় এলাকাবাসীর মতে, শাহানাজের অদম্য জেদ ও শিক্ষাগত যোগ্যতা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। সরকারি বা বেসরকারি কোনো প্রতিষ্ঠান যদি তাঁর পাশে দাঁড়িয়ে একটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়, তবে তিনি সমাজের বোঝা না হয়ে বরং আত্মনির্ভরশীল হয়ে উঠতে পারবেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com