সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৮ অপরাহ্ন
Title :
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মাম্যাচিং ও ১৪ সদস্যের দায়িত্ব গ্রহণ ঐক্য ভাঙা যাবে না, এই সরকারের কোনো বিকল্প নেই: দুদু নাটোরের গুরুদাসপুরে ৭৪ বোতল এসকাফসহ দুই নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গুরুদাসপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: কোচিং বা প্রাইভেট বাণিজ্যে যুক্ত শিক্ষকরা প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবেন না এবার বিএনপিকর্মী মকবুল হত্যায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মিলন দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে ছাড় নয়: রিজভী অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে কাজ করছে সরকার: সালেহ শিবলী ৮ মাসে ৯৫ কারখানা বন্ধ, কর্মসংস্থান হারিয়েছে ৬২ হাজার: সিপিডি দুই কিডনি বিকল ও অন্ধত্বের পথে গাইবান্ধার লাজু, বেঁচে থাকার আকুতি সন্তানের টানে

আওয়ামী লীগের ‘বালু সাত্তার’ এখন বিএনপির দোসর

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১ Time View
4

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর ও সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের যমুনা নদীতে অবৈধ বালু বাণিজ্যের এক বিশাল সিন্ডিকেটের নেপথ্যে উঠে এসেছে আব্দুস সাত্তার ওরফে ‘বালু সাত্তার’-এর নাম। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কাউন্সিলর থাকাকালীন তিনি যে বালু সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সেই একই আধিপত্য বজায় রাখতে তিনি বিএনপির ছত্রছায়ায় নিজেকে নতুন করে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যা মামলা এবং একাধিক গুরুতর অভিযোগ থাকলেও, রহস্যজনকভাবে তিনি প্রভাবশালী মহলের আনুকূল্য পাচ্ছেন।

অভিযোগ রয়েছে যে, যমুনা সেতুর নিরাপত্তা ঝুঁকির তোয়াক্কা না করে এবং সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে সাত্তারের সিন্ডিকেট যমুনার বিভিন্ন পয়েন্টে ড্রেজিং ও বালু উত্তোলন চালিয়ে যাচ্ছে। যমুনা সেতু ও রেল সেতুর পিলারের জন্য এটি মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখা দিলেও, প্রশাসনের একাংশের মৌন সম্মতিতে এই অবৈধ কার্যক্রম থেমে নেই। এমনকি হত্যা মামলার আসামি হয়েও সরকারি বালুমহালের ইজারা লাভ এবং জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সদস্যপদ পাওয়া নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, রাজনৈতিক দল পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সাত্তারের রাজনৈতিক আশ্রয়স্থলও বদলে যাচ্ছে, যার ফলে তার অপকর্মের কোনো বিচার হচ্ছে না।

সাত্তারের এই বালু ব্যবসার অর্থের বড় একটি অংশ দিয়ে তিনি বিলাসবহুল রিসোর্ট ও বিপুল পরিমাণ স্থাবর সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। যমুনা নদীর তীরবর্তী সরকারি খাস জমি দখল করে ডকইয়ার্ড নির্মাণসহ তার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মামলাও বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় বা সেতুর কাঠামোগত ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তবে প্রশাসন দায়সারা মন্তব্য করে দায়িত্ব এড়িয়ে চলার চেষ্টা করছে বলে ভুক্তভোগীদের দাবি।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com