ঝিনাইদহ প্রতিনিধি:
বয়স সবেমাত্র ষোলো। সহপাঠীদের সাথে মাঠে কিংবা শ্রেণিকক্ষে মেতে থাকার কথা যার, সেই কিশোর সাব্বির হোসেন এখন হাসপাতালের বিছানায় মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, সময়মতো কেমোথেরাপি পেলে তাকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব। তবে অর্থাভাবে এই তরুণের জীবনরক্ষা নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার হলিধানী ইউনিয়নের বকশিপুর গ্রামের হতদরিদ্র আলমসাধু চালক সাজ্জাদ হোসেনের ছেলে সাব্বির। হরিণাকুন্ডু লাল মোহাম্মদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এই শিক্ষার্থী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হেমাটোলজি বিভাগে অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার শরীরে মরণব্যাধি একিউট লিউকেমিয়া (এএমএল) বা ব্লাড ক্যানসার শনাক্ত হয়েছে।
চিকিৎসকদের মতে, সাব্বিরের বয়স কম হওয়ায় নিয়মিত কেমোথেরাপি দিলে তার সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু দিনমজুর বাবার পক্ষে ব্যয়বহুল এই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব। ধারদেনা করে প্রথমিক কিছু খরচ মেটানো হলেও দীর্ঘমেয়াদি ও মূল কেমোথেরাপির খরচ জোগাড় করা পরিবারের পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না।
ছেলের এই করুণ পরিণতি দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন মা মিতা খাতুন। সন্তানকে বাঁচাতে তিনি এখন সমাজের বিত্তবান ও হৃদয়বান মানুষের দ্বারে দ্বারে সহায়তা চেয়ে আকুতি জানাচ্ছেন। অন্যদিকে ভাই হারানোর ভয়ে দিনরাত কাঁদছে সাব্বিরের দুই বোন ও বড় ভাই।
অসহায় এই পরিবারটির পাশে দাঁড়াতে এবং সাব্বিরের জীবন বাঁচাতে সমাজের দানশীল ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা ও যোগাযোগের নম্বর: ০৭১১১-২০৪৮০৪ (বিকাশ/মোবাইল, রোগীর পরিবার)।