রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৪৬ অপরাহ্ন
Title :
মিরসরাইয়ে জনসেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন তরুণ সমাজসেবক রেজাউল করিম জোরারগঞ্জে অস্ত্র ও মাদকসহ দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেফতার, ৯ মামলার আসামি বোরহান জালে আগুনে পুড়ে যাওয়া ইতিহাসের নীরব সাক্ষী: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সতীদাহ মন্দির ব্রড পিক থেকে বিখ্যাত নেপালি পর্বতারোহীর মরদেহ উদ্ধার বাকস্বাধীনতার সীমা নির্ধারণ জটিল বিষয়: তথ্যমন্ত্রী তরুণ উদ্ভাবকরাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ : প্রধানমন্ত্রী স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করবে সরকার শ্রীলঙ্কা সফরে যাওয়ার আগে দুঃসংবাদ পেল ভারত সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে রোগীর ঢল, বেড সংকট; দুপুর পর্যন্ত উঠেনি পতাকা নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ২ পক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ একজনের মৃত্যু

নরসিংদীতে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ২ পক্ষের সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ একজনের মৃত্যু

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
  • ৫ Time View
6

নরসিংদীর রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মোমেন মিয়া (৫২) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন।

এ ছাড়া গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।
রবিবার (২ আগস্ট) সকালে উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের সওদাগরকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোমেন মিয়া ওই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য মৃত ধন মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সরকার বাড়ির লোকজনের সঙ্গে ফরিদ উদ্দিনের অনুসারীদের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল।

প্রায় ১৮ দিন আগে উভয় পক্ষকে নিয়ে সালিশের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। তবে ওই সালিশে অসন্তুষ্ট ছিলেন ফরিদ উদ্দিন ও তার অনুসারীরা বলে অভিযোগ রয়েছে।

রবিবার সকালে ফরিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি দল আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র দা, চাপাতি, বল্লম, ছুরি ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সরকার বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলা প্রতিরোধে মোমেন মিয়াসহ তার লোকজন এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা গুলি ছোড়ে।

এতে মোমেন মিয়াসহ চারজন গুলিবিদ্ধ হন এবং মোট ১১ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোমেন মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন। গুলিবিদ্ধ অপর তিনজন নরসিংদী জেলা হাসপাতাল ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
নিহতের ভাতিজা আনিসুজ্জামান অভিযোগ করেন, ফরিদ উদ্দিনের নেতৃত্বে ইমান আলী, জামাল মিয়া, সোহেল, কাশেম মেম্বার, লিয়াকত আলী, শাহাজান মিয়া, মৌলা মিয়া ও সুবজ মিয়াসহ ৩০ থেকে ৪০ জন তাদের বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় সোনার গহনাসহ মূল্যবান মালামাল লুটপাট করা হয়।

বাধা দিতে গেলে মোমেন মিয়াকে গুলি করা হয়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে লাঠিসোঁটা ও রড দিয়ে পিটিয়ে হত্যা করা হয় বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
আনিসুজ্জামান বলেন, মোমেন মিয়ার মাথায় গুলি করেন সোহেল এবং উরুতে (রানে) গুলি করেন ইমান আলী। ফরিদ উদ্দিনের নেতৃত্বেই এ হামলা ও হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মিনিতা দাস বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মোমেন মিয়ার মৃত্যু হয়েছে। তার মাথা ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফরিদ উদ্দিন বাংলাদেশ স্কাউটস, নোয়াখালী জেলার সহকারী পরিচালক। অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। বর্তমানে আমি কর্মস্থল নোয়াখালীতে অবস্থান করছি। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমাকে জড়ানো হচ্ছে। দুই পক্ষের একটিতে তার পরিবারের সদস্যরা জড়িত থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে ঘটনার সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন বলে দাবি করেন।

রায়পুরা থানার ওসি মুজিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষে মোমেন মিয়া নামের এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া গুলিবিদ্ধসহ আরো কয়েকজন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com