বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন
Title :
কালিয়াকৈর আনসার-ভিডিপি একাডেমির কুটিরশিল্পে মুগ্ধ চার দেশের রাষ্ট্রদূত ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক তারিখ ঘোষণা সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার নতুন ডিএস হিসেবে যোগ দিলেন মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম রামগঞ্জে ফুটবল টুর্নামেন্টের সংঘর্ষ: ছোট ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রবাস ফেরত বড় ভাই মৃত্যুর মুখে নীলফামারীতে রাতের আঁধারে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মিছিল, স্লোগান ‘ডিসেম্বরে খেলা হবে’ নাটোর জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত: আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর নির্দেশ এসপির প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিবের পরিচয়ে প্রতারণা: নাটোর থেকে গ্রেপ্তার ১ কুড়িগ্রামের দুধকুমার নদে রাতভর অভিযান: জব্দ অবৈধ কারেন্ট ও চায়না দুয়ারি জাল দীর্ঘ ২০ বছর পর নতুন সাজে সৈয়দপুরের কামারপুকুর ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় লক্ষ্মীপুরে কুঁচিয়া শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করছেন সিলেটি একদল পেশাজীবী

নওগাঁ পিটিআইয়ে ড্রেন নির্মাণে অনিয়ম: সিডিউল লঙ্ঘন করে ঠিকাদারের লাখ লাখ টাকা বিল উত্তোলন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৩ Time View
36

আরিফুল ইসলাম রনক
নওগাঁ প্রতিনিধি
০১৭৩৮৪২১৭১১

নওগাঁ প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (পিটিআই) ক্যাম্পাসের ভেতরে ড্রেন নির্মাণকাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। সিডিউল অনুযায়ী আরসিসি (RCC) ঢালাইয়ের মাধ্যমে স্থায়ী ড্রেন নির্মাণের কথা থাকলেও, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়ম ভেঙে সম্পূর্ণ নিম্নমানের ইটের গাঁথুনিতে কাজটি সম্পন্ন করেছে। এ ঘটনায় সরকারি তহবিলের অর্থ নয়ছয়ের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে নওগাঁ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (DPHE) অধীনে পিটিআইয়ের ভেতরের এই ড্রেনটি নির্মাণের জন্য ৬ লাখ ৪১৪ টাকার একটি টেন্ডার আহ্বান করা হয়। কাজটি পায় ‘মেসার্স উডেন ফার্নিচার হাউস’ নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, যার স্বত্বাধিকারী মোঃ গোলাম মোস্তফা। কার্যাদেশের নিয়মকে তোয়াক্কা না করে ঠিকাদার শুধু ইটের গাঁথুনি দিয়ে ড্রেন নির্মাণ করেন এবং এমনকি ঠিকমতো প্লাস্টারও করা হয়নি। সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠের এক কোণে পড়ে থাকা ড্রেনটি আগাছায় পূর্ণ এবং রডের কোনো ব্যবহারই করা হয়নি।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কাজের মান অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর প্রথম দিকে বিল আটকে দিলেও পরবর্তীতে ঠিকাদার কৌশল অবলম্বন করে প্রায় ৩ লাখ টাকা উত্তোলন করেছেন। অথচ সরেজমিনে দেখা কাজের প্রকৃত মূল্য পরিশোধিত বিলের অর্ধেকেরও কম।

সিডিউল ভঙ্গের বিষয়ে ঠিকাদার মোঃ গোলাম মোস্তফার কাছে জানতে চাইলে তিনি দাবি করেন, পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় আরসিসি ঢালাই করা সম্ভব হয়নি। তবে জায়গা সংকটের অজুহাতে কেন নিম্নমানের ইটের কাজ করা হলো এবং কেনই বা প্লাস্টার করা হয়নি, তার কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি তিনি।

এদিকে পিটিআইয়ের সুপারিনটেনডেন্ট মোঃ মিরাজ হোসেন বলেন, “কাজের মান খারাপ হওয়ায় এবং প্রকৌশলী অসন্তুষ্ট থাকায় ঠিকাদার একাধিকবার কাজের প্রত্যয়নপত্রে স্বাক্ষর নিতে এলেও আমি অস্বীকৃতি জানাই। পরবর্তীতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকৌশলীর অনুমতির ভিত্তিতে ‘কাজ বুঝিয়া পাইলাম’ মর্মে স্বাক্ষর করতে বাধ্য হয়েছি।”

অন্যদিকে, নওগাঁ জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের সদর উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ হারুনুর রশিদ জানান, কাজের মান অনুযায়ী সম্পূর্ণ অর্থ দেওয়া হয়নি। ঠিকাদার যতটুকু কাজ করেছেন, তার হিসাব অনুযায়ী প্রায় ৩ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে এবং বাকি অর্থ সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

সরকারি অর্থের এমন অপচয় ও অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকার সচেতন নাগরিকরা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com