নারীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের উদ্বোধনের পর ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বগুড়ায় চালু করা হয় বিশেষ মহিলা বাস সার্ভিস। তবে প্রকল্পটি চালুর মাত্র একদিনের ব্যবধানেই রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এই বাসের অনুপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। বুধবার সকাল থেকে শ্যামলী, আসাদগেট, ফার্মগেট, মিরপুর ও আগারগাঁওয়ের মতো জনবহুল রুটগুলোতে ঘুরেও অধিকাংশ জায়গায় এই বাসের দেখা মেলেনি। কোনো কোনো স্থানে হাতে গোনা দু-একটি বাস চললেও যাত্রীদের উপস্থিতি ছিল খুবই নগণ্য।
বাস্তব চিত্র বলছে, বিশেষ এই বাসের অপেক্ষায় সময় নষ্ট না করে নারীরা বাধ্য হয়েই সাধারণ গণপরিবহনে ভিড় করছেন। অনেককে গন্তব্যে পৌঁছাতে সাধারণ বাসের গেটে ঝুলে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে। যাত্রীদের ভাষ্যমতে, নির্দিষ্ট সময়সূচী ও রুট সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকায় এবং বাসের সংখ্যা পর্যাপ্ত না হওয়ায় এই সেবা নিয়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না। তারা মনে করছেন, নিয়মিত ও সময়ানুবর্তী না হলে এই উদ্যোগের সুফল পাওয়া কঠিন হবে।
উল্লেখ্য, বিআরটিসির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঢাকায় প্রাথমিকভাবে ১০টি বাস ৯টি রুটে চলাচল করার কথা রয়েছে। সকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত ১১৪টি স্টপেজে থামার কথা থাকলেও প্রথম দিনেই সেবাটির এমন নাজুক পরিস্থিতি জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, পর্যায়ক্রমে সেবার মান ও বাসের সংখ্যা বৃদ্ধির মাধ্যমে নারীদের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও সহজ করা হবে।