ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ ও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তোলায় প্রতিষ্ঠানটির চাকরিচ্যুত এক কর্মীকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ডিএসইর জিএম হাসান তারেক চৌধুরী এবং তাজুল ইসলামের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এই নোটিশ দেন। গত ১ আগস্ট একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে মারিয়াম আক্তার নামের ওই সাবেক কর্মী অভিযোগ করেছিলেন যে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ৩০ লাখ টাকা ঘুষ দিয়ে নিয়োগ পেয়েছেন এবং পছন্দের লোকদের নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।
আইনি নোটিশে মারিয়াম আক্তারের এসব বক্তব্যকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মানহানিকর ও বানোয়াট বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, ডিএসইর নিয়োগ প্রক্রিয়া অত্যন্ত স্বচ্ছ এবং পরিচালনা পর্ষদ ও কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমেই তা সম্পন্ন হয়। সুনির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ ছাড়া এ ধরনের অভিযোগ জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে এবং কর্মকর্তাদের পেশাগত সুনাম মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে বলে নোটিশে জানানো হয়।
অভিযুক্ত সাবেক কর্মীকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে তার দাবির সপক্ষে প্রয়োজনীয় প্রমাণ দাখিল করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে বিতর্কিত বক্তব্য সরিয়ে নিতে, নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে এবং জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অন্যথায়, মানহানি ও পেশাগত ক্ষতির অভিযোগে ওই নারীর বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা দায়ের করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।