আসন্ন এশিয়ান গেমসে ক্রিকেট ইভেন্টে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ দল বর্তমানে প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে টুর্নামেন্টের মাঠের উইকেট কেমন হতে পারে, সে বিষয়ে দলের কোচ ও খেলোয়াড়দের মাঝে পুরোপুরি স্পষ্ট কোনো ধারণা নেই। এই অচলাবস্থার মাঝেই জানা গেছে যে, মেগা এই আসরের লড়াইগুলো অনুষ্ঠিত হতে পারে বিশেষ প্রকৃতির ‘গামিনি’ উইকেটে। পিচ সম্পর্কে সঠিক তথ্য না পাওয়ার বিষয়টি সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলনে এক প্রকার কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে পিচের চরিত্র নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এক মজার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল ব্যক্তি উইকেটের প্রকৃতি সম্পর্কে নিশ্চিত না থাকলেও পিচ প্রস্তুতকারক বা কিউরেটর সম্পর্কে নিজের জানাশোনার কথা প্রকাশ করেন। তাঁর এমন মন্তব্য উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের মাঝে হাসির খোরাক জোগায় এবং মুহূর্তেই সংবাদ সম্মেলনের পুরো পরিবেশ হালকা ও আনন্দদায়ক হয়ে ওঠে। আন্তর্জাতিক বড় কোনো টুর্নামেন্টের আগে উইকেটের এমন ধোঁয়াশাচ্ছন্ন পরিস্থিতি সাধারণত দলের কৌশল নির্ধারণে কিছুটা চ্যালেঞ্জ তৈরি করে থাকে।
সাধারণত এশিয়ান কন্ডিশনে ‘গামিনি’ উইকেটে বল সাধারণত একটু নিচু হয়ে আসে এবং স্পিনারদের জন্য বাড়তি সুবিধা থাকে। এই ধরনের উইকেটে মানিয়ে নেওয়ার জন্য ব্যাটারদের বাড়তি সতর্কতার প্রয়োজন হয়, যা কোচিং স্টাফদেরও ভাবনায় রাখছে। দলটির ম্যানেজমেন্ট অবশ্য এই অচলাবস্থার মধ্যেও নিজেদের সেরাটা দিয়ে মাঠে লড়ার জন্য প্রস্তুত হচ্ছে। পিচের অজানা চ্যালেঞ্জকে জয় করতে কোচিং প্যানেল বিকল্প পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগে এমন ছোটখাটো অনিশ্চয়তা বা কৌতুকপূর্ণ ঘটনা দলের ভেতরের চাপ কমাতে সাহায্য করে। খেলোয়াড়রাও মানসিকভাবে চাঙ্গা রয়েছে এবং দ্রুত কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। এখন দেখার বিষয়, এশিয়ান গেমসের মূল লড়াইয়ে গামিনি উইকেটের আচরণ কেমন হয় এবং বাংলাদেশ দল এই চ্যালেঞ্জ কত সফলভাবে মোকাবিলা করতে পারে।