সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৪২ পূর্বাহ্ন
Title :
টিকটক ভিডিও নিয়ে বিরোধ, চুয়াডাঙ্গায় যুবককে কুপিয়ে জখম নির্বাচন কবে ঠিক নেই, অথচ পোস্টার-ব্যানারে ছেয়ে গেছে মাদারীপুর খুলনা বিভাগে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েছে, একদিনে আক্রান্ত ৩৩৪ আজ থেকে আমানতের মূল টাকা ফেরত পাবেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকরা বাংলাদেশ ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ফেয়ার শুরু ২৯ অক্টোবর জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বিতর্কিত পোস্ট, চবি শিক্ষক বরখাস্ত মুশফিক ভাই বলেছেন, খুশি হওয়ার কিছু নেই, রান করো- সেটাই তোমার কাজ! বিশ্বকাপে না খেলার তদন্ত রিপোর্ট আসবে আগামী সপ্তাহে: আমিনুল ব্যক্তির কারণে কোম্পানি বন্ধ করে দেশের অর্থনীতি চলতে পারে না শেষ মুহূর্তের গোলে ম্যানইউর জয় কেড়ে নিলো এভারটন

মুশফিক ভাই বলেছেন, খুশি হওয়ার কিছু নেই, রান করো- সেটাই তোমার কাজ!

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০ Time View
11

দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত প্রথম চার দিনের অনানুষ্ঠানিক টেস্টে বাংলাদেশ দল বড় ব্যবধানে পরাজিত হলেও, পচেফস্ট্রোমে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ম্যাচে দুর্দান্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাওহীদ হৃদয়ের অতিমানবীয় ও অসাধারণ ব্যাটিং নৈপুণ্যের কল্যাণে বাংলাদেশ ‘এ’ দল ওই ম্যাচটি ড্র করতে সক্ষম হয়। সিরিজ শেষে পচেফস্ট্রোমের কন্ডিশন, উইকেট এবং প্রতিপক্ষ দলের শক্তিমত্তা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন এই তরুণ ব্যাটার। বিশেষ করে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে তার সেই ঐতিহাসিক ট্রিপল সেঞ্চুরির নেপথ্য গল্প এবং অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের অবদানের কথা তিনি বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন।

সাক্ষাৎকারে তাওহীদ হৃদয় জানান যে ঐতিহাসিক ইনিংসটির পেছনে অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের ধারাবাহিক অনুপ্রেরণা ও মূল্যবান পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। পচেফস্ট্রোমে চার দিনের ম্যাচের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মুশফিক নিয়মিত তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছেন এবং ব্যাটিং কৌশল নিয়ে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সেঞ্চুরি কিংবা ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পর মুশফিক তাঁকে কোনোভাবেই আত্মতুষ্টিতে না ভুগে কেবল নিজের কাজ অর্থাৎ ব্যাটিং চালিয়ে যাওয়ার তাগিদ দিয়েছিলেন। ছোটবেলা থেকেই মুশফিকুর রহিমকে নিজের আদর্শ হিসেবে মানেন উল্লেখ করে হৃদয় বলেন যে তাঁর মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ ক্রিকেটারের এমন সমর্থন তাঁকে মানসিকভাবে দারুণভাবে উদ্দীপ্ত করেছে।

পচেফস্ট্রমের উইকেট এবং প্রতিপক্ষ দলের বোলিং আক্রমণ সম্পর্কে বলতে গিয়ে হৃদয় জানান যে সেখানকার পিচ আপাতদৃষ্টিতে ফ্ল্যাট মনে হলেও পেসারদের স্কিড এবং স্পিনারদের টার্ন বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড় নিয়মিত কাউন্টি ক্রিকেট খেলার কারণে বেশ অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী ছিল, যাদের বিরুদ্ধে খেলা বাংলাদেশের জন্য একটি দারুণ শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রথম ম্যাচে বড় ব্যবধানে হেরে গেলেও পরবর্তীতে মানিয়ে নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে এই সিরিজের ভূমিকা অপরিসীম বলে তিনি মন্তব্য করেন। দীর্ঘ সংস্করণের ক্রিকেটকেই একজন খেলোয়াড়ের দক্ষতা উন্নয়নের সবচেয়ে উপযুক্ত মাধ্যম হিসেবে দেখছেন এই তরুণ তুর্কি।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে খুব বেশি দূর না ভেবে বর্তমানের ওপর মনোযোগ দিতেই বেশি পছন্দ করেন তাওহীদ হৃদয়। লাল বলের ক্রিকেটে সুযোগ পেলে নিজের সেরাটা উজাড় করে দিতে তিনি সর্বদা প্রস্তুত আছেন বলে জানান। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে দায়িত্ব পালন করাই তাঁর মূল লক্ষ্য এবং যেকোনো পরিস্থিতিতে দলের চাহিদা অনুযায়ী পারফর্ম করতে তিনি মুখিয়ে থাকেন। দীর্ঘ সময় ধরে ক্রিজে টিকে থেকে ইনিংস গড়ার এই অভিজ্ঞতা তাঁর ক্রিকেটীয় মেধা ও মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com