বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
Title :
এআই যেভাবে বদলে দিচ্ছে সংবাদমাধ্যমের ভবিষ্যৎ ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা, মাদরাসা শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ আশির দশকে ফিরছেন রাজনীতিবিদরাও, সামাজিক মাধ্যমে নস্টালজিয়ার ঢেউ মেট্রোরেলের ২৭ বেয়ারিং প্যাড ক্রিটিক্যাল, ৪৬ পিলারে ফাটল ১০০ বার সুযোগ পেলে প্রতিবারই মেসিকে ভোট দেবো: জিদান এলএনজি আমদানি ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ প্রকল্পে নীতিগত অনুমোদন রহস্য বাড়াচ্ছে ১৭ কোটি টাকার আংটি, গোপনে সেরেছেন বিয়ে দুদকের দুই মামলায় সাবেক ডিবিপ্রধান হারুনের বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন শেরপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বেলুচিস্তানের শান্ত এলাকাও এখন রণক্ষেত্র, চাপে পাকিস্তান সরকার

আশির দশকে ফিরছেন রাজনীতিবিদরাও, সামাজিক মাধ্যমে নস্টালজিয়ার ঢেউ

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪ Time View
5

বর্তমান সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের মাঝে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে আশির দশকে ফিরে যাওয়ার একটি নতুন এবং দারুণ জনপ্রিয় প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রযুক্তিপ্রেমী সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সেলিব্রিটি ও প্রভাবশালী ব্যক্তিরা সবাই এখন নিজেদের বর্তমান ছবিকে এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিগত শতাব্দীর সেই নস্টালজিক যুগে রূপান্তর করছেন। মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বর্তমানের যেকোনো সাধারণ সেলফিকে পুরোনো দিনের পারিবারিক অ্যালবাম কিংবা আশির দশকের বলিউড স্টুডিওর ছবির মতো করে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে।

এই ডিজিটাল নস্টালজিয়া কেবল সাধারণ মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং ভারতীয় রাজনীতির শীর্ষস্থানীয় ব্যক্তিত্বরাও এই ভাইরাল ট্রেন্ডে অত্যন্ত স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিচ্ছেন। ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল নিজের এআই-নির্মিত একটি ছবি শেয়ার করে এই ট্রেন্ডে যুক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছেন, যেখানে তাকে ধূসর স্যুট এবং অ্যাভিয়েটর রোদচশমায় বেশ পরিপাটি দেখাচ্ছিল। এছাড়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু এবং আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার মতো হেভিওয়েট রাজনৈতিক নেতারাও এই ট্রেন্ডের অংশ হিসেবে নিজেদের পুরোনো দিনের আদলে তৈরি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন।

এই ধরনের ছবি তৈরির প্রক্রিয়াটি বেশ আকর্ষণীয় কারণ এটি সাধারণ কোনো ফিল্টার ব্যবহারের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত এবং সৃজনশীল পদ্ধতিতে সম্পন্ন হয়। ব্যবহারকারীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে এমনভাবে নির্দেশনা দিচ্ছেন যেন নির্দিষ্ট ব্যক্তির মূল মুখের বৈশিষ্ট্য ঠিক রেখে তার আশপাশের পরিবেশ, পোশাক-আশাক এবং আলোর বিন্যাস সম্পূর্ণ বদলে যায়। এর ফলে সহজেই একটি সাধারণ ছবিকে তৎকালীন ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদ, বিয়ের ছবি কিংবা পুরোনো দিনের স্টুডিও পোর্ট্রেটের রূপ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

সেকালের সেই বিশেষ আবহ নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলতে ছবিতে ব্যবহার করা হচ্ছে বাদামি-হলুদ আভা, পুরোনো ফিল্মের দানাদার ভাব, বিবর্ণ রঙের প্রভাব এবং উষ্ণ আলোর নান্দনিক ব্যবহার। ছবিগুলোতে আশির দশকের ফ্যাশন ট্রেন্ড যেমন রঙিন শাড়ি, বড় গয়না, চওড়া কলারের শার্ট ও রেট্রো রোদচশমার উপস্থিতি বেশ লক্ষণীয়। মূলত সেসময়ের নাটকীয় ভঙ্গি এবং জাঁকজমকপূর্ণ বলিউড সংস্কৃতির অনুকরণেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে বর্তমান প্রজন্মের ডিজিটাল ওয়ালে পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে পুরোনো দিনের ভারত।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com