শেরপুরের সীমান্ত এলাকার জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র গজনী অবকাশ ও মধুটিলায় বেড়াতে আসা ভ্রমণপিপাসুদের দীর্ঘদিনের আবাসন সংকট দূর করতে এক যুগান্তকারী উদ্যোগ নিয়েছে জেলা পরিষদ। প্রায় পরিত্যক্ত ও জীর্ণ অবস্থায় পড়ে থাকা ঝিনাইগাতি জেলা পরিষদ ডাকবাংলোটিকে মাত্র পাঁচ মাসের সুপরিকল্পিত প্রচেষ্টায় আধুনিক ও নান্দনিক রূপ দেওয়া হয়েছে।
জেলা পরিষদের প্রশাসক এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ (পলাশ)-এর দূরদর্শী দিকনির্দেশনা ও সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই রূপান্তর সম্ভব হয়েছে। শেরপুরে যোগদানের পর থেকেই তিনি স্থানীয় পর্যটন খাতের বিকাশ এবং পর্যটকদের স্বাচ্ছন্দ্য বাড়াতে কাজ করে যাচ্ছেন। গজনী ও মধুটিলায় ঘুরতে আসা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য মানসম্মত সরকারি আবাসন সুবিধার অভাব থাকায় তিনি এই ডাকবাংলোটিকে পুনরুজ্জীবিত করার বিশেষ উদ্যোগ নেন।
জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দীপঙ্কর রায়ের দক্ষ নেতৃত্বে এবং সীমিত বাজেটের মধ্যেই গত পাঁচ মাসে ডাকবাংলোটির অবয়ব সম্পূর্ণ বদলে ফেলা হয়েছে। সংস্কারকাজে আধুনিক সুযোগ-সুবিধার পাশাপাশি নান্দনিকতার বিষয়টিও গুরুত্বের সাথে নিশ্চিত করা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যক্ষ এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ (পলাশ) বলেন, "পর্যটনে অপার সম্ভাবনাময় শেরপুরে পর্যটন সুবিধা সম্প্রসারণ এবং সেবা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জেলা পরিষদের এমন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।"
গজনী অবকাশ ও মধুটিলার সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা পর্যটকদের জন্য এখন থেকে নবসজ্জিত ঝিনাইগাতি ডাকবাংলোয় রাত্রিযাপনের উষ্ণ আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।