সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
Title :
সংগলশী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জিয়াউর রহমানের ভোট ও দোয়া প্রার্থনা ড্রামে ভরে শেরপুরে লাশ ফেলে দেওয়া বিউটি পার্লারকর্মী হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফাতেমাসহ গ্রেপ্তার ৪ রামগঞ্জে বাস ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নবউত্তীর্ণ আলিম পরীক্ষার্থী নিহত, সড়ক অবরোধ ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশে আরও একটি বিপ্লব হবে: এস এম ফরহাদ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে গাছ থেকে পড়ে মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু সৈয়দপুরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল আওয়ামী লীগের ছিল কোটা, আর বিএনপির দলীয়করণ চলছে: সাদিক কায়েম লালমনিরহাটে এইচএসসি ফলে বড় বিপর্যয়: দুই বছরে পাসের হার কমল ৩২%, শূন্য পাস ৬ প্রতিষ্ঠানে রামগঞ্জে বাসার ছাদে গাঁজা চাষ, ৫ ফুট গাছসহ আটক ১ সিংড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী কুরবান আলী কাজলের নির্বাচনী গণসংযোগ ও মতবিনিময়

এবার অবৈধ সম্পদ ও অর্থপাচার মামলায় সাহেদ করিম গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪৫ Time View
54

অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থপাচারের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ করিমকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার দেখিয়েছেন আদালত। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষ থেকে করা একটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারিক আদালত এই আদেশ দেন। এর মাধ্যমে বহুল আলোচিত এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে চলা অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে আরও একটি দুর্নীতি মামলার আইনি কার্যক্রম যুক্ত হলো।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের মার্চ মাসে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী বাদী হয়ে সাহেদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। দীর্ঘ তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে দুদক ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে মোহাম্মদ সাহেদ এবং তার স্ত্রী সাদিয়া আরবীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং মানিলন্ডারিংয়ের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

তদন্ত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, সাহেদের স্ত্রী সাদিয়া আরবী তার জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে বড় অংকের সম্পদের তথ্য গোপন করেছিলেন এবং তার নিজের কোনো নির্ভরযোগ্য আয়ের উৎস ছিল না। মূলত সাহেদ অবৈধ পন্থায় ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ তার স্ত্রীর নামে স্থানান্তর ও রূপান্তর করে এই সম্পদ গড়ে তুলতে সহায়তা করেছিলেন। এসব অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন এবং দণ্ডবিধির সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

এদিকে মামলার শুনানিকালে সাহেদের পক্ষে আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলেও আদালত তা আমলে নেননি। প্রতারণা, জালিয়াতি ও চেক ডিজঅনারসহ বিভিন্ন অভিযোগে সাহেদ ইতোমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে কারাবাস করছেন। সম্প্রতি ব্যাংক ঋণখেলাপি ও অন্যান্য মামলার পরোয়ানায় তাকে নতুন করে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমান আইনি আদেশের ফলে তার কারাবাসের মেয়াদ আরও দীর্ঘায়িত হলো।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com