দারুণ এক সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকাকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়েছেন কনর এস্তেরহুইজেন। ব্যাট হাতে তার এই নান্দনিক পারফরম্যান্সের ওপর ভর করেই দলটি নিশ্চিত করেছে দুর্দান্ত সিরিজ জয়। প্রতিপক্ষের বোলারদের ওপর শুরু থেকেই চড়াও হয়ে তিনি দলকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নেন। তার এই দায়িত্বশীল ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং ইনিংসটিই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করে।
এর আগে সিরিজের প্রথম ওয়ানডে ম্যাচে দুর্দান্ত এক দেড়শ ছাড়ানো ইনিংস খেলে সকলের নজর কেড়েছিলেন ওপেনার জর্ডান হারমান। স্বাভাবিকভাবেই দ্বিতীয় ম্যাচেও তার ব্যাট থেকে বড় কোনো ইনিংসের প্রত্যাশা ছিল সবার। তবে এই ম্যাচে তিনি নিজের ইনিংসটিকে কাঙ্ক্ষিত দৈর্ঘ্যে নিয়ে যেতে ব্যর্থ হন এবং দ্রুতই সাজঘরে ফিরে যান। ওপেনারের দ্রুত বিদায়ে দলের প্রাথমিক ইনিংসে কিছুটা চাপ তৈরি হলেও এস্তেরহুইজেন তা খুব দক্ষতার সঙ্গে সামাল দেন।
হারমান দ্রুত আউট হয়ে গেলেও দলের মিডল অর্ডারে নেমে দলের রান সচল রাখার বড় দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন এস্তেরহুইজেন। তিনি অত্যন্ত পরিপক্ব ও পরিমিত ব্যাটিং প্রদর্শনী করে শুরুর ধাক্কা দারুণভাবে সামলে নেন এবং দলের ইনিংসের ভিত্তি মজবুত করেন। মাঠে টিকে থাকার পাশাপাশি তিনি নিয়মিত বিরতিতে রান তুলতে থাকেন এবং দলের জয় নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব শট খেলেন।
তার এই অনবদ্য ও নান্দনিক সেঞ্চুরির সুবাদেই শেষ পর্যন্ত স্বস্তির জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা দল। এই জয়ের ফলে তাদের সামগ্রিক সিরিজ জয়ও নিশ্চিত হয়ে যায়, যা দলের তরুণ খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। ক্রিকেটপ্রেমীরাও এস্তেরহুইজেনের এমন দায়িত্বশীল ও চমৎকার ব্যাটিং নৈপুণ্যের ভূয়সী প্রশংসা করছেন।