ইরানের দক্ষিণ অঞ্চলের বান্দার-ই কুহেস্তাকসহ বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় মার্কিন বাহিনীর হামলায় অন্তত পাঁচজন সাধারণ নাগরিক নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বিয়ের অনুষ্ঠানে এবং বসতবাড়িতে চালানো এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৬৩ জন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এই ঘটনাকে চরম নিষ্ঠুরতা এবং যুদ্ধাপরাধ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এরই প্রতিক্রিয়ায় ইরান তাদের বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) এবং সেনাবাহিনীর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যের পাঁচটি দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোতে বড় ধরনের প্রতিশোধমূলক হামলা চালিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল-জুফরা ও আল-মিনহাদ ঘাঁটি, বাহরাইনের শেখ ঈসা বিমানঘাঁটি, জর্ডানের প্রিন্স হাসান ঘাঁটি এবং কুয়েতের আলি আল-সালেম ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে হামলা চালানো হয়েছে। এছাড়া ইরাকের ইরবিলে থাকা মার্কিন স্থাপনাগুলোতেও সমন্বিত আক্রমণ করেছে ইরান।
ইরানি কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব অভিযানে মার্কিন বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ রাডার ব্যবস্থা, গোয়েন্দা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র এবং ড্রোন হ্যাঙ্গার ধ্বংস করা হয়েছে। জর্ডানের ঘাঁটিতে হামলায় বেশ কিছু ড্রোন ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেছে আইআরজিসি। ইরানের পক্ষ থেকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, বেসামরিক নাগরিকদের ওপর এমন বর্বরোচিত হামলার জবাব তারা আরও বড় পরিসরে দিতে প্রস্তুত রয়েছে।