গত ৪ আগস্ট জার্মানির লিপজিগ-হালে বিমানবন্দরে একটি ড্রোন হামলার চেষ্টার ঘটনায় রাশিয়াকে দায়ী করেছে বার্লিন। তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের দাবি, বিস্ফোরকবাহী ওই ড্রোনটি একটি ইউক্রেনীয় কার্গো বিমানের উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়েছিল, যা সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এই ঘটনার জেরে মঙ্গলবার জার্মান সরকার রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে এবং দেশটিতে থাকা রুশ কনস্যুলেট ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়ার ওপর কঠোর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও বাড়তি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডোব্রিন্ট এই হামলাকে রাশিয়ার ‘হাইব্রিড অপারেশন’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তবে রাশিয়ার পক্ষ থেকে এ অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বিষয়টিকে সম্পূর্ণ বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, অভ্যন্তরীণ সমর্থন হারানোর ভয় থেকেই জার্মান সরকার এমন মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে। এদিকে, ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জার্মানির পাশে দাঁড়িয়েছে ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। রুশ আগ্রাসন ঠেকাতে ভবিষ্যতে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে বলে সংস্থাগুলো জানিয়েছে।