গত আগস্ট মাসে জার্মানির লেইপজিগ বা হালে বিমানবন্দরে একটি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ইউক্রেনের একটি কার্গো বিমানের আশেপাশে পাওয়া ওই ড্রোনটি নিয়ে জার্মানির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তদন্ত শুরু করেছিল।তদন্ত শেষে জার্মান কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্পষ্ট অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, এই নাশকতামূলক ড্রোন হামলার পরিকল্পনার পেছনে সরাসরি রাশিয়ার হাত ছিল। বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
1
গত আগস্ট মাসে জার্মানির লেইপজিগ বা হালে বিমানবন্দরে একটি বিস্ফোরকবাহী ড্রোন উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ইউক্রেনের একটি কার্গো বিমানের আশেপাশে পাওয়া ওই ড্রোনটি নিয়ে জার্মানির নিরাপত্তা সংস্থাগুলো তদন্ত শুরু করেছিল।
তদন্ত শেষে জার্মান কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে স্পষ্ট অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, এই নাশকতামূলক ড্রোন হামলার পরিকল্পনার পেছনে সরাসরি রাশিয়ার হাত ছিল। বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।