বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটের সমাধান নিয়ে অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে দুই বছর সময় লাগার অর্থ এই নয় যে লোডশেডিংয়ের বর্তমান অবস্থা এতদিন স্থায়ী হবে। যান্ত্রিক ত্রুটি এবং জ্বালানি সরবরাহজনিত সাময়িক সমস্যাগুলো দ্রুত মিটিয়ে ফেললে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি খুব শিগগিরই আগের অবস্থায় ফিরে আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
দুই বছরের সময়সীমার ব্যাখ্যায় উপদেষ্টা জানান, মূলত দীর্ঘমেয়াদি অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও নতুন এফএসআরইউ স্থাপনের জন্য এই সময় প্রয়োজন। পাশাপাশি দেশীয় গ্যাসের মজুত বাড়াতে বাপেক্সের কূপ খনন এবং রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মতো বড় প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নের ওপর জোর দিচ্ছে সরকার। এসব উদ্যোগ সম্পন্ন হলে আগামী দুই বছরের মধ্যে শহর ও গ্রামে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
তবে বিশ্ববাজারের পরিস্থিতির ওপর সতর্ক দৃষ্টি রাখার কথাও জানিয়েছেন তিনি। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার কারণে এলএনজির দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ সংকটের ঝুঁকি রয়েছে, যা দেশের জ্বালানি খাতকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে। সবশেষে ডা. জাহেদ উর রহমান উল্লেখ করেন যে, অতীতেও সারাদেশ সবসময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পায়নি, তাই বর্তমান সংকট মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণেই সরকার বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।