রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২৫ অপরাহ্ন
Title :
সংগলশী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে জিয়াউর রহমানের ভোট ও দোয়া প্রার্থনা ড্রামে ভরে শেরপুরে লাশ ফেলে দেওয়া বিউটি পার্লারকর্মী হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফাতেমাসহ গ্রেপ্তার ৪ রামগঞ্জে বাস ও মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নবউত্তীর্ণ আলিম পরীক্ষার্থী নিহত, সড়ক অবরোধ ইনসাফ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশে আরও একটি বিপ্লব হবে: এস এম ফরহাদ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে গাছ থেকে পড়ে মাদ্রাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু সৈয়দপুরে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পদ পাইয়ে দেওয়ার প্রলোভনে ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ, ভিডিও ভাইরাল আওয়ামী লীগের ছিল কোটা, আর বিএনপির দলীয়করণ চলছে: সাদিক কায়েম লালমনিরহাটে এইচএসসি ফলে বড় বিপর্যয়: দুই বছরে পাসের হার কমল ৩২%, শূন্য পাস ৬ প্রতিষ্ঠানে রামগঞ্জে বাসার ছাদে গাঁজা চাষ, ৫ ফুট গাছসহ আটক ১ সিংড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী কুরবান আলী কাজলের নির্বাচনী গণসংযোগ ও মতবিনিময়

স্বামীর গোপনাঙ্গ কাটার মামলায় স্ত্রীর ৭ বছরের সাজা

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৪ Time View
40

রাজধানীর বংশাল থানা এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে ফেলার অপরাধে এক গৃহবধূকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকির হোসাইন এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী আতাউর রহমান সংবাদমাধ্যমকে আদালতের এই রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। আদালত সূত্রে জানা যায়, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আইনি প্রক্রিয়া শেষে বিচারক এই রায় দেন যা পরবর্তীতে এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করে।

আদালতের রায়ে আসামি মোছা. রুমা আক্তারকে দুটি আলাদা ধারায় মোট সাত বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কাঁচি দিয়ে আঘাত করার অপরাধে তাকে তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়। এছাড়া গুরুতর জখম করার অপরাধে তাকে আরও চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, যা অনাদায়ে অতিরিক্ত এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে বিচারিক রায়ে স্পষ্ট করা হয়েছে যে উভয় দণ্ড একসঙ্গে কার্যকর হবে, যার ফলে তাকে কার্যকরভাবে সর্বোচ্চ চার বছর কারাভোগ করতে হবে।

মামলার নথিপত্র পর্যালোচনা করে জানা যায়, ২০২৪ সালের জুনে সিয়াম ও রুমা আক্তারের মধ্যে বিয়ে হয় এবং তারা রাজধানীর কসাইটুলী এলাকার একটি বাসায় বসবাস শুরু করেন। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই মনোমালিন্য ও ঝগড়া হতো। এর ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন বাইরে থেকে খাবার খেয়ে বাসায় ফেরার বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে গভীর রাতে স্বামী সিয়াম ঘুমিয়ে পড়লে রুমা কাপড় কাটার কাঁচি দিয়ে তার গোপনাঙ্গের একাংশ কেটে দেন এবং ধস্তাধস্তির সময় সিয়ামের বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলও জখম হয়।

এই ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী সিয়ামের বাবা বাদী হয়ে বংশাল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মামলাটি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে এবং পরবর্তীতে বিচারকার্য শুরু হয়। বিচার চলাকালীন আদালত মোট ১১ জন সাক্ষীর মধ্যে সাতজনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন এবং আসামিপক্ষের সাফাই সাক্ষ্যও শোনেন। সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ ও নথি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার পর বিচারক এই রায় প্রদান করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com