রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
Title :
সন্তানকে সম্পত্তি দান করলেও আজীবন ভোগ করতে পারবেন বাবা-মা ইবিতে নিরাপত্তা জোরদার-সহ ৫ দাবিতে ছাত্রশক্তির স্মারকলিপি ইবিতে নিরাপত্তা জোরদার-সহ ৫ দাবিতে ছাত্রশক্তির স্মারকলিপি সালমান শাহ হত্যা মামলায় ডন গ্রেপ্তারের পর নতুন কী ঘটছে? নিরাপত্তা ও মব জাস্টিস বন্ধসহ ৫ দাবিতে ইবি প্রক্টরকে ছাত্রশক্তির স্মারকলিপি প্রেমের টানে চীন থেকে টাঙ্গাইলে লিয়াং, বিয়ে করা হলো না যে কারণে সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট হামে মৃত্যুর সংখ্যা হাজার ছুঁই ছুঁই, পাঁচ মাস পরেও কেন থামানো যাচ্ছে না? সাপ মেরে ব্যাগে ভরে স্ত্রীকে হাসপাতালে নিলেন স্বামী রাজশাহীর পদ্মায় ১০ বছরে দুই শতাধিক মৃত্যু, নেপথ্যে কী?

সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮ Time View
10

জাতীয় সংসদে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসের প্রক্রিয়ার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অধিবেশন কক্ষ বর্জন বা ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা। গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদ অধিবেশনে এই নাটকীয় ঘটনা ঘটে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা নির্দিষ্ট কয়েকটি আইনের বিধান নিয়ে তীব্র আপত্তি জানান এবং সংসদীয় কার্যপ্রণালী অনুযায়ী তাদের অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এই ধরনের ওয়াকআউট রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

জানা গেছে, এদিন রাতে অধিবেশন চলাকালীন মূলত দুটি বিশেষ বিলের ওপর তীব্র আপত্তি তোলেন বিরোধী দলের আইনপ্রণেতারা। এই বিল দুটি হলো—জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল, ২০২৬ এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয় যে, প্রস্তাবিত এই বিল দুটির কিছু নির্দিষ্ট ধারা দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে জনস্বার্থের অনুকূল নয় এবং এগুলো যথাযথ সংশোধন ছাড়া পাস করা উচিত নয়। সরকারের পক্ষ থেকে বিল দুটির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হলেও বিরোধী দল তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি।

বিতর্ক চলাকালীন রাত আটটার দিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা অধিবেশন কক্ষ ত্যাগ করেন। স্পিকারের নির্দেশ ও সরকারি দলের নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও তারা সংসদকক্ষ থেকে বেরিয়ে যান, যা সংসদের ভেতরে তাৎক্ষণিক উত্তেজনার সৃষ্টি করে। বিরোধী দলীয় নেতারা মনে করছেন, বিল দুটিতে মানুষের মৌলিক অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি আরও জোরালোভাবে অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন ছিল।

এই ওয়াকআউটের পর সংসদীয় কার্যক্রমে সাময়িক বিরতি দেখা দিলেও পরবর্তীতে নির্ধারিত এজেন্ডা অনুযায়ী অধিবেশনের বাকি কার্যক্রম চলতে থাকে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, জনগণের অধিকারের সঙ্গে সম্পৃক্ত এই বিষয়গুলোতে ছাড় দেওয়া হবে না এবং সংসদের ভেতরে ও বাইরে তাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি বিল নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যকার এই মতপার্থক্য আগামী দিনে দেশের সংসদীয় রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com