মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ অপরাহ্ন

লোটো শোরুমের পরিচালককে অপহরণের পর শ্বাসরোধে হত্যা

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৪৯ Time View
178

বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় অস্ত্রের মুখে অপহৃত লোটো শোরুমের পরিচালক পিন্টু আকন্দকে (৩৭) হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) রাতে একদল দুর্বৃত্ত উপজেলার সিও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় খন্দকার মার্কেটের ওই শোরুম থেকে তাকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তুলে নিয়ে যায়। মঙ্গলবার সকালে পাশের আদমদীঘি উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের কুমারপুর গ্রামে রাস্তার পাশে একটি মাইক্রোবাসে তার লাশ পাওয়া গেছে।

পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে, মাইক্রোবাস জব্দ করেছে এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চালকসহ তিনজনকে থানায় এনেছে। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) আতাউর রহমান জানান, তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিহত পিন্টু আকন্দ নওগাঁর রানীনগর উপজেলার লোহাগাড়া গ্রামের মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি দুপচাঁচিয়া সিও বাসস্ট্যান্ড এলাকায় খন্দকার মার্কেটে তার ভগ্নিপতির লোটো শোরুমের পরিচালক ছিলেন। সোমবার রাত ৯টা ১০ মিনিটের দিকে পিন্টু শোরুমে বসে বেচাকেনা করছিলেন। এ সময় একদল সশস্ত্র মুখোশধারী দুর্বৃত্ত একটি মাইক্রোবাসে করে সেখানে আসে। তারা শোরুমে ঢুকে আগ্নেয়াস্ত্রের মুখে জিম্মি করে পিন্টুকে অপহরণ করে। তাকে টেনেহেঁচড়ে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে আশপাশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধারে মাঠে নামে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে পাশের আদমদীঘি উপজেলার নশরতপুর ইউনিয়নের কুমারপুর গ্রামে রাস্তার পাশে একটি মাইক্রোবাসে পিন্টু আকন্দের লাশ পাওয়া যায়। দুপচাঁচিয়া থানা পুলিশ মাইক্রোবাসটি জব্দ করে এবং লাশটি উদ্ধার করে। এ সময় চালক দুপচাঁচিয়ার উত্তর সাজাপুর গ্রামের তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে সানোয়ার হোসেনসহ তিনজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব কোনো শত্রুতা বা টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে তাকে অপহরণের পর মাইক্রোবাসের ভেতর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। এরপর ঘাতকরা মাইক্রোবাসটি আদমদীঘি এলাকায় নিয়ে চালককে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

দুপচাঁচিয়া থানার ওসি আফজাল হোসেন জানান, সুরতহাল শেষে লোটো শোরুমের পরিচালক পিন্টু আকন্দের লাশ বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আটক মাইক্রোবাসের চালকসহ তিনজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে তদন্ত চলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com