রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম এবং দেশের প্রচলিত আইন লঙ্ঘন করে কোনো ধরনের কর্মকাণ্ড বরদাস্ত না করার বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ শতাধিক শিক্ষক পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে আনা ও নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলকে সক্রিয় করার মতো যে তৎপরতা চালিয়েছেন, তা ঢাবি কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে এবং এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাদেশ ও প্রবিধানে উল্লেখ রয়েছে যে, রাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থি কাজগুলো অশিক্ষকসুলভ আচরণ এবং নৈতিক স্খলনের শামিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে দোষীদের বিরুদ্ধে বাধ্যতামূলক অবসর কিংবা চাকরি থেকে অপসারণের মতো কঠোর শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ও সংবিধান সমুন্নত রাখতে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা উসকানিমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিচয় নির্বিশেষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
একই সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে দেশের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে। গণতান্ত্রিক পরিবেশ রক্ষা এবং রাষ্ট্রীয় সাংবিধানিক ব্যবস্থার প্রতি অনুগত থাকার বিষয়টি প্রতিটি সদস্যের দায়িত্ব বলে বিজ্ঞপ্তিতে পুনরায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।