নিউজ ডেস্ক:
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে দক্ষিণ সুরমার লালমাটিয়ায় সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে বললেন, “চলতি অর্থবছরের মধ্যেই স্থানীয় সরকারের পাঁচটি স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের পাঁচটি স্তর। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে। আগস্টের পর স্থানীয় সরকার বিভাগ, অর্থ বিভাগ ও নির্বাচন কমিশন যৌথ বৈঠকে বসে কোন স্তরের নির্বাচন আগে অনুষ্ঠিত হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।”
মীর শাহে আলম বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে প্রায় সাড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার কোটি টাকার প্রয়োজন হবে। নির্বাচন কমিশন ইতোমধ্যে প্রস্তাবিত বাজেট দিয়েছে এবং চলতি বাজেটেও এ খাতে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আবহাওয়া, পরিবেশ, অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি বিবেচনায় নিয়ে কোন নির্বাচন আগে হবে, সে বিষয়ে যৌথভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য চলতি অর্থবছরের মধ্যেই পাঁচটি স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করা।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মীর শাহে আলম বলেন, তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে মামলার রায় হয়েছে। দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী তাকে গ্রেপ্তার করা হবে এবং আদালতের রায় কার্যকর করা হবে। আইন অনুযায়ী সাধারণ নাগরিকের মতো তার দেশে আসার সুযোগ নেই। যেভাবেই দেশে আসুক না কেন, তাকে গ্রেপ্তারের আওতায় আনা হবে।
এ সময় সিলেট সিটি করপোরেশনের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের তুলনায় সিলেট অনেক বেশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, খাল পুনরুদ্ধার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সিসিক উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে।
তিনি বলেন, আমি সিসিকের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম এবং নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছি। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ে তুলতে সিসিক যেভাবে কাজ করছে, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। প্রশাসকের নেতৃত্বে এই ধারাবাহিকতা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে বলে আশা করি।
মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সিলেটে মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবেই পরিচালিত হচ্ছে। তবে এটিকে আরও কার্যকর করতে কিছু সংস্কার প্রয়োজন যা দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। বর্তমানে আংশিক চালু থাকা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রকল্পটি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।