শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৬:০২ অপরাহ্ন
Title :
উন্নয়নকাজের জন্য ৬ মাসের আলটিমেটাম প্রতিমন্ত্রী হাবিবের বৃষ্টিতে বালু-কাদায় নাকাল মজুচৌধুরীর হাট ফেরিঘাট, দুর্ভোগে যাত্রী-চালকেরা গণপরিবহনে কাল থেকে জিপিএস বাধ্যতামূলক যে কারণে থমকে যেতে পারে গ্যাস সরবরাহ ১৭ বছর পর অবসান: ডিমলার শহীদ জিয়াউর রহমান কলেজে নতুন একাডেমিক ভবন উদ্বোধন বান্দরবানে হাম রোগীদের জরুরি চিকিৎসায় বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের আর্থিক সহায়তা বাঁশখালীতে মাছের ঘের দখল নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, গুলিতে নিহত ১ ও আহত ২ বান্দরবানে পর্যটকবাহী মোটরসাইকেল খাদে পড়ে নারীসহ নিহত ২ শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ঢাকার অনুরোধ খতিয়ে দেখছে দিল্লি জুলাই সনদের আলোকে আইন সংস্কার কমিশনের প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন হবে

ভৌতিক সিনেমা মনের চাপ কমায়

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৮ Time View
107

আমরা সবাই ভয় পাইএটা একদম স্বাভাবিক বিষয়কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, অনেকেই ইচ্ছে করে ভয় পেতে ভালোবাসে! জম্বি, দানব, ভূত বা অদ্ভুত কোনো ছায়াভৌতিক সিনেমার ভয়ানক দৃশ্য দেখেও মানুষ এক ধরনের মানসিক শান্তি খুঁজে পায়

সম্প্রতি মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, ভীতিকর বা হরর সিনেমা বাস্তব জীবনের উদ্বেগ ও মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী কোল্টান স্ক্রিভনার বলেন, ‘ভয়ংকর গল্প আমাদের মস্তিষ্ককে অনিশ্চয়তার সঙ্গে মানিয়ে নিতে সাহায্য করে।’

তার গবেষণায় দেখা গেছে, হরর সিনেমা দেখা মানুষকে তিন দলে ভাগ করা যায়

অ্যাড্রেনালিন জাঙ্কিজ’ : যারা ভয় পেয়ে রোমাঞ্চ খোঁজেন

হোয়াইট নাকলারস’ : যারা ভয় জয়ের আনন্দ উপভোগ করেন

ডার্ক কোপার্স’ : যারা ভয়কে জীবনের বাস্তব নিরাপত্তা বোঝার উপায় মনে করেন

ডেনমার্কের এক গবেষণায়ও জানা গেছে, যারা নিয়মিত ভৌতিক সিনেমা দেখেন, তারা সংকটের সময় অন্যদের তুলনায় মানসিকভাবে বেশি শান্ত থাকেন। এমনকি কোভিড-১৯ মহামারির সময়ও তাদের সহনশীলতা ছিল বেশি।

অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মার্ক মিলার বলেন, ভয়ংকর গল্প আমাদের মস্তিষ্কের ভবিষ্যদ্বাণী করার ক্ষমতা বাড়ায়- যা অনিশ্চয় পরিস্থিতিতে শান্ত থাকতে সাহায্য করে।

নেদারল্যান্ডসে তৈরি হয়েছে ‘মাইন্ডলাইট’ নামের একটি ভিডিও গেম, যেখানে ভয়কে থেরাপির অংশ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, এই গেম খেলা শিশুদের উদ্বেগ অনেকটাই কমে যায়।

স্ক্রিভনারের ভাষায়, ‘ভীতিকর গল্প বা সিনেমা আমাদের এক নিরাপদ পরিবেশে ভয় পাওয়ার সুযোগ দেয়। এতে আমরা নিজের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে শিখি এবং বাস্তব জীবনের চাপ সামলানো সহজ হয়।’

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com