সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন
Title :
বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মাম্যাচিং ও ১৪ সদস্যের দায়িত্ব গ্রহণ ঐক্য ভাঙা যাবে না, এই সরকারের কোনো বিকল্প নেই: দুদু নাটোরের গুরুদাসপুরে ৭৪ বোতল এসকাফসহ দুই নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার গুরুদাসপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা: কোচিং বা প্রাইভেট বাণিজ্যে যুক্ত শিক্ষকরা প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবেন না এবার বিএনপিকর্মী মকবুল হত্যায় গ্রেফতার সাবেক এমপি মিলন দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম করলে ছাড় নয়: রিজভী অক্টোবরে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর উদ্বোধন: বিমানমন্ত্রী মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে কাজ করছে সরকার: সালেহ শিবলী ৮ মাসে ৯৫ কারখানা বন্ধ, কর্মসংস্থান হারিয়েছে ৬২ হাজার: সিপিডি দুই কিডনি বিকল ও অন্ধত্বের পথে গাইবান্ধার লাজু, বেঁচে থাকার আকুতি সন্তানের টানে

গাজীপুরে সংরক্ষিত বনভূমি ঘেঁষে চারতলা ভবন নির্মাণ, বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ২৪ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৮ Time View
33

নিজস্ব প্রতিবেদক, গাজীপুর

গাজীপুরের মনিপুর বিটের কাতলামারা এলাকায় সংরক্ষিত বনভূমির একেবারে কাছ ঘেঁষে একটি চারতলা ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। কোনো ধরনের সীমানা নির্ধারণ বা ডিমারকেশন ছাড়াই এই কাজ পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমেই এই অবৈধ নির্মাণকাজ চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লার সোহেল নামক এক ব্যক্তি এই জমির মালিকানা দাবি করে দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে চারতলা ফাউন্ডেশন দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করছেন। তবে তার কাছে বৈধ কাগজপত্র বা লিজের কোনো নিশ্চিত তথ্য স্থানীয় পর্যায়ে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, ভবনটির দক্ষিণাংশের কিছু অংশ সংরক্ষিত বনভূমির ভেতরে চলে গেছে। যথাযথ জরিপ ও সীমানা নির্ধারণ না হলে সরকারি এই বনভূমি স্থায়ীভাবে দখল হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্থানীয় বাসিন্দা অভিযোগ করেন, মনিপুর বিট অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ঘুষ দিয়ে এই নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে এক থেকে দুই লাখ টাকা লেনদেনের গুঞ্জন থাকলেও এর কোনো স্বাধীন প্রমাণ প্রতিবেদকের হাতে আসেনি। তবে বনভূমির সীমানা রক্ষায় বিট অফিসের তদারকি না থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

বিশেষজ্ঞদের মতে, বনভূমি নিয়ে কোনো ধরনের সংশয় থাকলে নির্মাণকাজ শুরুর আগেই মৌজা ম্যাপ পরীক্ষা ও সরেজমিন ডিমারকেশন করা বাধ্যতামূলক। যদি সরকারি জমিতে কোনো স্থাপনা গড়ে ওঠে, তবে তা তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।

এ বিষয়ে বন বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাদের মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত সোহেলের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে। দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করে বনভূমির সীমানা নির্ধারণ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com