সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন
Title :
বরিস জনসন ও ইউরোপের শীর্ষ কর্মকর্তারা স্টেশন ছাড়ার পর ইউক্রেনের ট্রেনে রাশিয়ার হামলা ভেঙে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য? শিগগির আসছে বড় ঘোষণা বান্ধবীর বাবার ধর্ষণের শিকার সাত বছরের শিশু, হত্যার পর ঘরেই মাটিচাপা ইউক্রেনের ট্রেনে রুশ হামলা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ইউরোপীয় নেতারা সোনার ভরি কত আজ? ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে শোধনাগার, ২ বছরেও মিলছে না সুপেয় পানি একটি দল ধর্মের নামে রাজনীতি করে সমাজে দোজখের আগুন জ্বালাচ্ছে : রিজভী ইরান যুদ্ধ ব্রিকস সম্পর্ক নতুন করে তৈরি করছে, যদিও বিভেদ এখনো আছে বক শিকার করায় ৭ দিনের কারাদণ্ড, জরিমানা ৫০ টাকা ‘খেলা হবে ডিসেম্বরে’ লেখা ব্যানার নিয়ে ককটেল বিস্ফোরণ, সাভারে আটক ৮

ইউক্রেনের ট্রেনে রুশ হামলা, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ইউরোপীয় নেতারা

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫ Time View
6

ইউক্রেনের পশ্চিমাঞ্চলে পোল্যান্ড সীমান্তের অতি নিকটবর্তী একটি এলাকায় রুশ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। পোল্যান্ড সীমান্ত থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে ইয়াহোদিন স্টেশনের কাছে ইউক্রেনীয় একটি ট্রেনের ইঞ্জিন লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। তবে তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে যাত্রীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়ায় বড় ধরনের কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। যদিও এই আকস্মিক হামলায় ট্রেনটির ইঞ্জিন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা সীমান্ত অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

ঘটনার সামান্য আগেই কিয়েভে অনুষ্ঠিত ইয়াল্টা ইউরোপিয়ান স্ট্র্যাটেজি সম্মেলন শেষে একটি বিশেষ ট্রেনে করে ওই একই রেলপথ পেরিয়ে ইউক্রেন ত্যাগ করেছিলেন যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনসহ ইউরোপের বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা। এ ছাড়াও, হামলার সময় স্টেশনে অবস্থানরত অপর একটি ট্রেনে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার সাবেক প্রধান ডেভিড পেট্রাউস এবং সুইডেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কার্ল বিল্টও উপস্থিত ছিলেন। ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের মতে, রুশ বাহিনীর মূল লক্ষ্য হয়তো এই কূটনৈতিক ট্রেনগুলোই ছিল, যা নির্ধারিত সময়ের কিছুটা আগে স্টেশন ত্যাগ করার কারণে বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা পায়।

হামলার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে ব্রিটিশ রাজনীতিক বরিস জনসন একে একটি অর্থহীন ও বিকৃত মানসিকতার হামলা বলে অভিহিত করেন। তিনি মন্তব্য করেন যে, ইউক্রেনের সাধারণ মানুষ প্রতিদিন এ ধরনের অযৌক্তিক আগ্রাসনের শিকার হচ্ছেন এবং বেসামরিক রেলপথগুলোও রুশ হামলা থেকে সুরক্ষিত নয়। এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে তিনি ইউক্রেনের আকাশসীমা সুরক্ষায় পশ্চিমা মিত্রদের দ্রুত আরও কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সরবরাহের জোরালো তাগিদ দিয়েছেন। অন্যদিকে, ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রি সিবিহা এই ঘটনাকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর দরজায় রুশ সন্ত্রাসের সরাসরি উপস্থিতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

এই মারাত্মক সীমান্ত উত্তেজনার পর পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ডোনাল্ড টাস্ক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য একটি জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন। বৈঠকে তিনি উল্লেখ করেন যে, রাশিয়ার এই আগ্রাসী কর্মকাণ্ড কেবল ইউক্রেনের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং তা এখন পোল্যান্ডের ভৌগোলিক সীমানার অত্যন্ত কাছাকাছি চলে এসেছে যা ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয়। ইউক্রেনীয় পক্ষ থেকে মস্কোর ওপর আরও কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের দাবি জানানো হয়েছে, যাতে এমন বেপরোয়া সামরিক কার্যক্রমের চড়া মূল্য পরিশোধ করতে বাধ্য হয় রাশিয়া।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © jago barta
Theme Dwonload From ThemesBazar.Com